মালদায় সাপের তাণ্ডবে বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল, আতঙ্কিত শিক্ষক-পড়ুয়ারা
আজ তক | ০৪ এপ্রিল ২০২৫
মালদা জুড়ে সাপের তাণ্ডব। আতঙ্গে শিটিয়ে গ্রামবাসী। বন্ধ হতে চলেছে স্কুলের পড়াশোনা। একদিকে সরকারি স্কুলে সাপের তাণ্ডব। অন্যদিকে অতিরিক্ত জেলা শাসকের বাংলোর এসিতে কিলবিল করছে সাপ। যত্রতত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে। আতঙ্কে স্কুল বন্ধের মুখে বলে দাবি করেন এক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা।
ইংলিশ বাজার পৌরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আবাসনের ভিতর অবস্থিত রেন্টাল হাউসিং এস্টেট প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ের ক্লাস রুমে এখন রাসেল ভাইপার থেকে শুরু করে গোখরোর মত বিষধর সাপেদের আঁতুড় ঘর। আর এই সাপের আতঙ্কে স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছে পড়ুয়ারা।
এরই মধ্যে বুধবার সকালে আবারও এই বিদ্যালয়ের ক্লাস রুম থেকে উদ্ধার হল বিশাল আকৃতির পাঁচ ফিটের এক চন্দ্রবোড়া। অভিযোগ এই বিদ্যালয় থেকে সাপ উদ্ধারের ঘটনা এই প্রথম নয় এর আগেও বহুবার উদ্ধার হয়েছে। স্কুলের ক্লাসরুমের ভিতর বড় বড় সাপের গর্ত। অন্ধকার স্যাঁতসেঁতে ঘর। আতঙ্কে ঘরে ঢুকে না প্রধান শিক্ষিকা থেকে পড়ুয়ারা। বন্ধ হয়ে রয়েছে মিড ডে মিল। এদিকে কোন কোন দিন হাতে গোনা এক দু'জন পড়ুয়া আসলে স্কুলের বাইরেই গাছের নীচে চলে পড়াশোনা।
তবে সাপের আতঙ্কে বেশিরভাগ দিনই বন্ধ থাকে স্কুল। সময় মত প্রধান শিক্ষিকা আসেন ঠিকই কিন্তু পড়ুয়ারা না আসায় বসে থেকে তিনি ফিরে যান। স্কুলের এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন ডিআই মলয় মণ্ডল।
এদিকে শুধু যে বিদ্যালয়ে ক্লাসরুমে সাপের আতঙ্ক তাই নয় সরকারি আবাসনের একাধিক কোয়াটারেও ছড়িয়েছে সাপের আতঙ্ক। আতঙ্কে রয়েছেন সরকারি আবাসনের আবাসিকরাও।
অন্যদিকে অতিরিক্ত জেলাশাসকের ঘুমানোর ঘরের এসির মুখ থেকে কিলবিল করে বেরিয়ে আসছে একের পর এক সাপ। আর তা দেখে রীতিমতো চক্ষু চড়ক গাছ খোদ অতিরিক্ত জেলাশাসক অনিন্দ্য সরকারের। পরিবার নিয়ে ঘরের এক কোণায় লাফিয়ে চলে যান অতিরিক্ত জেলাশাসক। এরপরই খবর যায় সর্প বিষারদ নিতাই হালদারকে খবর দেওয়া হয়।যেমনটি ফোন তেমনি কাজ।পুরাতন মালদা থেকে মোটরবাইক নিয়ে ছুটে আসেন সর্প বিশারদ নিতাই হালদার।ইংরেজবাজার শহরের মাধবনগর এলাকায় অতিরিক্ত জেলা শাসকের বাংলোতে গিয়েই একের পর এক সাপ উদ্ধার করতে থাকেন নিতাইবাবু।