• করোনার নয়া প্রজাতির সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে! আশঙ্কা WHO-র
    এই সময় | ১৮ মে ২০২২
  • হু হু করে বাড়ছে জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা। সরকারি ভাবে কতজন কোভিডে সংক্রমিত, সেই পরিসংখ্যান না প্রকাশ করলেও উত্তর কোরিয়ায় মারণভাইরাসের দাপটের জেরেই যে জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তা মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। সংক্রমণের পাশাপাশি কিম জং উনের দেশে কোভিড উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে উত্তর কোরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ায় যে হারে সংক্রমণ বাড়ছে এবং সেখানে নাগরিকরা টিকা নেননি, এই পরিস্থিতিতে করোনায় নয়া ভ্যারিয়্যান্টের আবির্ভাব ঘটার ঝুঁকি রয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে আরও বলেছেন, কয়েকটি দেশে সংক্রমণ ঘিরে উদ্বেগ থাকছে কারণ, সেখানে টিকাকরণের অভাব রয়েছে। তাছাড়া স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ভালো নয়। উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণকে নিয়ে প্রথম থেকেই 'থোড়াই কেয়ার' মনোভাব দেখিয়েছে কিমের দেশ। কখনই কোভিড সংক্রমণের কথা স্বীকার করেননি কিম। গত সপ্তাহে প্রথমবার করোনা আক্রান্তের খবর সরকারি ভাবে জানায় উত্তর কোরিয়া।

    বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, উত্তর কোরিয়ায় কোভিড পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। কেননা, কোনও কোভিড টিকাকরণের ব্যবস্থা করা হয়নি সে দেশে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর বেহাল দশা সেখানে। অনেক দিন আগে থেকেই উত্তর কোরিয়ায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে। তবে সে ব্যাপারে কখনই স্বীকার করেননি কিম। তাদের দেশে করোনা সংক্রমণ হয়নি বলে দাবি করা হয়েছিল। গত সপ্তাহে সরকারি ভাবে সে দেশে করোনা সংক্রমণের কথা জানানো হয়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে প্রথম থেকে কিম জং উনের সরকার যেভাবে গা-ছাড়া মনোভাব দেখিয়েছে তাতে এই পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হতে পারে।

    করোনা পরিস্থিতিতে রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে যাতে কোভিডের ওষুধের সরবরাহ স্থিতিশীল কর যায়, তা স্থির করতে উত্তর কোরিয়ার সেনাকে নির্দেশ দিয়েছেন কিম। জানা গিয়েছে, কোভিডের চিকিৎসার ওষুধ ঠিকমতো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছোচ্ছে না। দ্রুত ও যথাযথভাবে যাতে ওষুধ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, সে কারণেই কিমের এই নির্দেশবাণী। পিয়ংইয়ংয়ে ওষুধের সরবরাহে সেনার চিকিৎসক দলকে মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন কিম জং উন। দেশের কোভিড পরিস্থিতিকে 'বড় বিপর্যয়' বলে বর্ণনা করেছেন কিম।

    বুধবার নতুন করে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩২ হাজার ৮৮০। তাঁদের মধ্যে কতজন কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, সে ব্যাপারে জানায়নি কিম প্রশাসন। অন্য দিকে, জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬২। তবে, করোনায় মৃত্যু কি না এ তথ্য তুলে ধরেনি উত্তর কোরিয়া।
  • Link to this news (এই সময়)