হাহাকার রিঙ্কুর, আনতে চেয়েছিলেন নিজের কাছে, চোখে জল নিয়ে বিস্ফোরক সৃঞ্জয়ের বাবাও...
আজকাল | ১৪ মে ২০২৫
আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ ও রিঙ্কু মজুমদারের পরিবারের আচমকাই দুঃসংবাদ। মঙ্গলবার সকালে সাপুরজির আবাসন থেকে উদ্ধার রিঙ্কু মজুমদারের ছেলে সৃঞ্জয় দাশগুপ্তের নিথর দেহ। পেশায় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী, ২৭ বছরের তরুণকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। আজ আরজিকর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করা হবে তাঁর দেহ। এদিন হাসপাতাল চত্বরেই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেল রিঙ্কু মজুমদার ও সৃঞ্জয়ের বাবা রাজা দাশগুপ্তকে।
আজকাল ডট ইন-এর মুখোমুখি হয়ে সদ্য পুত্রহারা বিজেপি নেত্রী রিঙ্কু মজুমদার বলেন, 'আমি তো মা। ছেলের মনখারাপ টের পেতাম। আমি চলে আসার পর থেকে ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করত না। রাঁধুনি এসে ফিরে যেত। গত তিনদিন ধরে ওর মনমেজাজ ঠিক ছিল না। গতকাল রাতেও ফোনে কথা হয়। আজ সকালে ওর এক সহকর্মী ফোন করে খবর দেন। গতকাল রাতে ফ্ল্যাটে দু'জন সহকর্মী এসেছিল। ওরাই শেষপর্যন্ত ছিল।'
রিঙ্কু আরও জানিয়েছেন, 'আমার সঙ্গেই থাকতে চেয়েছিল। আমিও বলেছিলাম ওকে নিয়ে আসব খুব শিগগিরই। আমাদের এখানে রুমের সমস্যা ছিল। কিন্তু তাও ওকে নিয়ে আসতাম আমার কাছে। ও আনন্দেই ছিল, আবার আমরা একসঙ্গে থাকব এটা ভেবে। দিন কয়েক ধরেই মনখারাপ টের পেয়েছি। কীভাবে কী হল, বুঝতে পারছি না।'
অন্যদিকে সৃঞ্জয়ের বাবা রাজা দাশগুপ্ত আজকাল ডট ইন-কে বলেন, 'গত ১৭ বছর মা-ছেলে একসঙ্গে থাকত। মায়ের সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও, একাকিত্বে ভুগত ছেলে। মা-বাবা কেউ তো কাছে ছিল না। ওর শরীর খারাপ ছিল কয়েকদিন ধরেই। দিন কয়েক আগেই ফোন করে বলেছিল, হালিশহরে আমার কাছে এসে কয়েকদিন থাকবে। ২৭ বছরের প্রাণবন্ত ছেলেটা কীভাবে হঠাৎ চলে গেল, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছি।'