• 'শাস্তি' দিতে যুবককে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার! ভাইরাল তৃণমূল নেতার ভিডিয়ো
    এই সময় | ২৫ জুন ২০২২
  • 'শাস্তি' দিতে যুবককে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারের অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার (TMC Leader) বিরুদ্ধে। এভাবেই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আসানসোলে (Asansol)। যুবককে ‘শাস্তি’ দেওয়ার নাম করে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে চুনচুন রাউত নামে কুলটির (Kulti) ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে সেই ভিডিয়ো (Viral Video)। ইতিমধ্যেই তা সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যদিও এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল। ঘটনাটি ঘটেছে কুলটির নিয়ামতপুর ৪ নম্বর ইসিএল এলাকায়। এই এলাকাটি আসানসোল পুরনিগমের ৬০ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত। অভিযোগ, সোহন কুইরি নামে এক যুবককে বেধড়ক মারধর করেন ওই TMC নেতা। সোহন কুইরির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি অন্য পাড়ার এক ছেলেকে মারধর করেছিল। কয়েকদিন আগে ঘটনার অভিযোগ জানানো হয়েছিল তৃণমূলের ওয়ার্ড প্রেসিডেন্টকে (TMC Ward President)। তারপরই সেই সোহনকে 'শাস্তি' দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন চুনচুন রাউত।

    মারধরের সেই ভিডিয়ো ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছিল। আর সেই ভিডিয়ো BJP নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির (Jitendra Tiwari) স্ত্রী তথা বিরোধী দলনেত্রী চৈতালি তিওয়ারি (Chaitali Tiwari) টুইটারে শেয়ার করেন। পাশাপাশি ভিডিয়োর তীব্র নিন্দা করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, আইনের শাসন নেই। আসানসোলে তাই শাসকরা আইন তুলে নিচ্ছেন নিজের হাতে। এদিকে এই ঘটনার পরই ফোন বন্ধ করে দেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। এখনও পর্যন্ত তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। এলাকা থেকে পুরোপুরি বেপাত্তা হয়ে গিয়েছেন তিনি।

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে ওয়াড প্রেসিডেন্ট ধর্মদাস সেনগুপ্ত বলেন, "ওই যুবককে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। তবে হয়তো আইন নিজের হাতে না তুলে নেওয়াই উচিত ছিল। যুবকের চিকিৎসা ব্যবস্থা করা হয়েছে। একটা সজনের ডাল দিয়ে মারা হয়েছিল। পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হয়ে গিয়েছিল, তার জেরেই ওই ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে আমি সমর্থন করছি না। আমি বেরিয়ে আসার পর পরিস্থিতি আবার ঠান্ডা হয়ে যায়।" এদিকে এই ঘটনার পর দলীয় তরফে চুনচুন রাউতের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে সেই বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি। সেই বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি কেউই। এছাড়া এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদ ইন্দ্রাণী মিশ্র চট্টোপাধ্যায়।
  • Link to this news (এই সময়)