• অবশেষে দাবিপূরণ, বিষ্ণুপুর স্টেশনে চলন্ত সিঁড়ির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ সৌমিত্রর
    এই সময় | ২৫ জুন ২০২২
  • অবশেষে বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুর রেলওয়ে স্টেশনে চালু হল চলমান সিঁড়ি (Escalator)। বিশেষত মুমূর্ষু রোগী, বৃদ্ধ, বৃদ্ধা ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের কথা ভেবেই এই চলমান সিঁড়ি পরিষেবা চালু করা হল। শনিবার এই পরিষেবার উদ্বোধন করেন স্থানীয় BJP সাংসদ সৌমিত্র খাঁ (Soumitra Khan)। এদিনের এই অনুষ্ঠানে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের (South Eastern Railway) আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন চলমান সিঁড়ির উদ্বোধন করে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ রেলমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) ধন্যবাদ জানান৷ রেলমন্ত্রী (Rail Minister) নিজের কথা রেখেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

    প্রাচীন ও ঐতিহ্যমণ্ডিত শহর হিসেবেই পরিচিত বিষ্ণুপুর (Bishnupur)। মল্লরাজাদের তৈরি অপরূপ সৌন্দর্য মণ্ডিত টেরাকোটার মন্দিরের টানে দেশ-বিদেশ থেকে বছরভর অসংখ্য পরিযায়ী পর্যটক এখানে আসেন। আর যাঁরা এখানে আসেন, তাঁদের একটা বড় অংশ যাতায়াতের ক্ষেত্রে রেল পরিষেবার উপরেই ভরসা রাখেন। পাশাপাশিপর্যটকদের সঙ্গে থাকে বেশ কিছু ল্যাগেজ। এদিকে সেগুলি বহন করতে গিয়ে বেজায় সমস্যায় পড়তে হয় তাঁদের। তবে এই চলমান সিঁড়ি হয়ে যাওয়ার পর এখন থেকে আর কোনও সমস্যা হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। এবার নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে পর্যটকরা স্বচ্ছন্দেই চলমান সিঁড়ি দিয়ে চলাফেরা করতে পারবেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ভারতীয় রেলের উপর কোনও ধরনের আক্রমণ না করার আবেদন জানান। পাশাপাশি রেলের উপর যদি কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে, তাহলে রেল কর্তৃপক্ষকে তা কড়া হাতে দমনের কথাও বলেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিষ্ণুপুরের জন্য এই দিনটি 'ঐতিহাসিক' বলে দাবি করে তিনি বলেন, "২০১৯ সালে জিরো আওয়ারে যে বক্তব্য রেখেছিলাম, রেলমন্ত্রী কথা দিয়েছিলেন বিষ্ণুপুরে এটা করব। আজ সেটা সম্পন্ন হল। এজন্য আমি কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।"

    এ প্রসঙ্গে আদ্রা ডিভিশনের DRM মণীশ কুমার বলেন, "চলমান সিঁড়ির কাজ সম্পন্ন হয়েছে।" এদিন থেকে বাঁকুড়া স্টেশনে চলমান সিঁড়ি শুরু হওয়ায় খুশি এলাকার বাসিন্দারাও। কারণ অনেক সময়ই অনেকেকে স্টেশনে যেতে হয়। এদিকে সিঁড়ি ভেঙে ট্রেন ধরতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় তাঁদের। বিশেষ করে সমস্যায় পড়েন বয়স্করা। কিন্তু, চলমান সিঁড়ি তৈরি হওয়ার ফলে তাঁদের আর কোনও সমস্যা হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। এতে কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন বাঁকুড়াবাসী।
  • Link to this news (এই সময়)