• স্বাস্থ্য সাথী কার্ডেই ক্যান্সারের চিকিৎসা, বিশেষ পরিষেবা তমলুক হাসপাতালে
    এই সময় | ২৬ জুন ২০২২
  • ক্যান্সার। এই মারণ রোগের নামটা শুনলেই আতঙ্কিত হন না, এমন মানুষ বোধহয় বিরল৷ আর সেই রোগটি কারও শরীরে বাসা বাঁধে, তাহলে তো কথাই নেই৷ সুস্থ হতে মানুষ কি না করেন! রোগীকে নিয়ে ভিন রাজ্যে চিকিৎসার জন্য পাড়ি দেন পরিবারের সদস্যরা। এই ব্যয়সাপেক্ষ চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিজেদের শেষ সম্বলও কখনও কখনও খুইয়ে ফেলেন রোগীর পরিজনরা৷ তাঁদের জন্য এবং সমস্ত রাজ্যবাসীর ক্ষেত্রে এবার আশার বাণী শোনা গেল৷ এখন আর ভিন রাজ্যে যেতে হবে না, এই রাজ্যেই স্বাস্থ্য সাথী (Swasthya Sathi ) কার্ডের মাধ্যমে এই মারণ রোগকে জয় করা সম্ভব হবে৷ ইতিমধ্যেই তমলুকের মাস ক্লিনিক অ্যান্ড হাসপাতালে বহু ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে।

    শনিবার তমলুকের (Tamluk) একটি গেস্ট হাউসে মাস ক্লিনিক অ্যান্ড হাসপাতালের পক্ষ থেকে ক্যান্সার সংক্রান্ত বিশেষ আলোচনা শিবিরের আয়োজন করা হয়। তমলুকের মাস ক্লিনিক অ্যান্ড হাসপাতাল থেকে ক্যান্সার রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীরা যেমন উপস্থিত ছিলেন, তেমনই উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, ডা. ললিত খাঁড়া সহ অন্যান্য চিকিৎসকরা।

    এদিন উপস্থিত রোগী ও তাঁদের পরিবারের লোকজনদের চিকিৎসকরা জানান, ক্যান্সার হলেই যে মৃত্যু তা নয়, চিকিৎসার মধ্য দিয়ে অনেকেই সুস্থ হচ্ছেন। বাংলার সরকার চিকিৎসা পরিষেবার জন্য যে স্বাস্থ্য সাথী (Swasthya Sathi ) কার্ড প্রদান করেছেন, তা দিয়েই অনেকে সুস্থ হচ্ছেন। মনের জোর আর চিকিৎসকের পরামর্শ মতোই চিকিৎসা চালু থাকলে, ক্যান্সার রোগ থেকে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব।

    ক্যান্সার রোগ জয় করে সুস্থ হয়ে ওঠা এক মহিলা বলেন, ‘‘আমি ভেবেছিলাম আমার দু’টো বছর নষ্ট হয়ে গিয়েছে পড়াশোনা করতে পারিনি৷ এখন মনে করি, ওই দুটো বছর আমি দিয়েছিলাম বলেই আজ সুস্থ হয়ে দাঁড়িয়ে আছি৷ মাস ক্লিনিক অ্যান্ড হাসপাতাল শুধু কেমো বা রেডিও থেরাপি নয়, তার সঙ্গে সাইকোলজিক্যাল, সোশ্যাল সাপোর্টও আমাকে দিয়েছিলেন৷ তাই আজ আমি সুস্থ৷’’

    Hilsa Fish: মরশুমের প্রথম ইলিশ এল মাছ বাজারে, জানুন দাম

    তবে চিকিৎসকদের ওপর ভরসা রাখার কথা বলেন তিনি৷ এদিন আলোচনা শিবিরে ক্যান্সার রোগ থেকে ভালো হয়ে ওঠা রোগীরা তাঁদের কথা তুলে ধরেন। ক্যান্সার রোগে ভয় নয়, চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করাই লক্ষ্য হোক এই বার্তা আলোচনা সভা থেকে তুলে ধরেন চিকিৎসকরা। আর এটা সম্ভব রাজ্য সরকারের দেওয়া স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমেই৷
  • Link to this news (এই সময়)