• কঙ্কালীতলার গর্ভগৃহে তুমুল নেচে রিলস তৈরি, বিপাকে পড়ে ক্ষমা চাইলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর
    এই সময় | ০৩ জুলাই ২০২৫
  • একান্নপীঠের অন্যতম বীরভূমের কঙ্কালীতলা। প্রতিদিন বহু মানুষ পুজো দিতে আসেন। দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা ভিড় করেন। কিন্তু মন্দিরের গর্ভগৃহে ঢুকে নাচানাচি, রিলস বানানোর ঘটনা এর আগে কখনও ঘটেনি। সম্প্রতি এ রকমই একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এক ব্যক্তির হাত পা ছুড়ে তুমুল নাচ। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে শক্তি সামন্তের ‘অন্ধ বিচার’ ছবির সেই সুপারহিট গান, ‘ভুলিনি মা, দূরে থেকে তোমায় ডেকেছি...।’

    সিনেমায় এ নাচ নেচে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। তবে কঙ্কালীতলায় গর্ভগৃহে ঢুকে এমন হাত পা ছোড়া মোটেই ভালো ভাবে নেননি নেটিজ়েনরা। শুরু হয় সমালোচনা। পরে জানা যায়, ওই ‘শিল্পী’ পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার বাসিন্দা, নাম হীরু দাস। তিনি কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

    সমালোচনা শুরু হতেই মন্দির কমিটির তরফে ডেকে পাঠানো হয় হীরুকে। বুধবার কঙ্কালীতলায় আসেন তিনি। মন্দির কমিটির কাছে ক্ষমা চেয়ে ডিলিট করেন সেই রিলস। প্রতিজ্ঞা করেন, আর কোনওদিন কোনও মন্দিরে এমন রিলস বানাবেন না।

    হীরু দাস বলেন, ‘মায়ের মন্দিরে এসে, গর্ভগৃহে ঢুকে ভিডিয়ো করা আমার উচিত হয়নি। আমি ক্ষমাপ্রার্থী। তবে আমি যখন গর্ভগৃহে ভিডিয়ো করছিলাম, ভিতরে চার জন ছিলেন। তাঁরা যদি আমাকে না বলতেন, আমি করতাম না।’

    অনেকেরই প্রশ্ন, এই ব্যক্তি তো বাচ্চা নন। কেন তাঁকে না করতে হবে? তাঁরা বলছেন, শুধু হীরুই নন, যাঁরা এ ধরনের ভিডিয়ো বানান, তাঁদের লাইক-কমেন্ট-শেয়ারের বাইরে গিয়ে ভাবনাচিন্তা তো করতেই হবে। কী করছি, কোথায় করছি, এ টুকু বিবেচনা বোধ তো থাকাই দরকার।

    হীরুর দাবি, ‘আমরা কনটেন্ট ক্রিয়েটর। ভাবিনি এ রকম হবে। তা হলে এখানে একদমই এই ভিডিয়ো তৈরি করতাম না। আমি ঠাকুরের গান ভেবেই বানিয়েছি। তবে নাচানাচি আমার ঠিক হয়নি।’

  • Link to this news (এই সময়)