• উত্তরপ্রদেশে নারীর ক্ষমতায়নে বিরাট বদল, যোগীর মিশন শক্তির করিশ্মা
    প্রতিদিন | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • হেমন্ত মৈথিল, লখনউ: উত্তরপ্রদেশে নারীর ক্ষমতায়নের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মিশন শক্তি অভিযান মহিলাদের নতুন করে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত করায় নারীর ভূমিকাকে শক্তিশালী করেছে। এই প্রেক্ষাপটে চান্দৌলি জেলার চাহানিয়া ব্লকের রামগড় গ্রামের অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সুজাতা কুশওয়াহা আদর্শ উদাহরণ। একজন মহিলার দৃঢ় সংকল্প কীভাবে সমগ্র সম্প্রদায়কে আলোকিত করতে পারে, তারও অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ হয়ে উঠেছেন।

    রামগড় গ্রামের বাসিন্দা হরিশচন্দ্র পাসোয়ানের ছেলে আদর্শ। সে তীব্র অপুষ্টির সঙ্গে লড়াই করছিল। ক্রমশ দুর্বল এবং অলস হয়ে পড়ছিল। তার চোখ থেকে শৈশবের উজ্জ্বলতা হারিয়ে গিয়েছিল। দরিদ্র পরিবারটির সংগ্রামের জীবনে পুষ্টি কিংবা স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতার ছিল না। তখনই মিশন শক্তির চেতনায় পরিচালিত সুজাতা তার জীবন পরিবর্তনের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। তিনি বারবার পরিবারটির সঙ্গে দেখা করেন, ধৈর্য সহকারে ব্যাখ্যা করেন যে আদর্শের সঠিক খাদ্য এবং যত্নের প্রয়োজন। সুজাতার অধ্যবসায়ে ধীরে ধীরে অবস্থার পরিবর্তন হয়।

    সুজাতা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আদর্শকে নিয়ে আসেন। ওজন ও উচ্চতা মেপে শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। এরপর প্রয়োজন মতো পুষ্টিকর খাবার, বাড়ির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পরিষ্কার পানীয় জলের বিষয়ে পরামর্শ দেন তিনি। নিজে উদ্যোগ নিয়ে সাপ্লিমেন্ট পাউডারেরও ব্যবস্থা করেন সুজাতা। আদর্শ আবার শারীরিক শক্তি ফিরে পেয়েছে, তার ওজনও বেড়েছে এবং এখন অন্য শিশুদের মতোই খেলে এবং হাসে সে। যদিও সুজাতা কিন্তু নিজের কাজ এখানেই থামাননি। অন্য গ্রামবাসীদেরও তিনি সচেতন করছেন।

    যোগী সরকার কর্তৃক চালু মিশন শক্তি কেবল নারীর নিরাপত্তা এবং সম্মানের জন্য একটি প্রচারই নয়, এটি এমন নেতা তৈরি করছে যাঁরা প্রকৃত সামাজিক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সুজাতা কুশওয়াহার মতো অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা এই দৃষ্টিভঙ্গির জীবন্ত প্রতিমূর্তি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)