• পুরুলিয়ায় রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ কৃষি মহাবিদ্যালয়ের উদ্বোধন হল, ছাত্রীর সংখ্যা বেশি দেখে আপ্লুত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি
    বর্তমান | ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: শনিবার রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ কৃষি মহাবিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দজি মহারাজ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজ্যের মন্ত্রী থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পড়ুয়াদের স্বামীজির আদর্শ তুলে ধরে তাঁদের উৎসাহিত করেন। সেই সঙ্গে সদ্য গঠিত কলেজে ছাত্রীর সংখ্যা বেশি দেখে  বিশেষভাবে প্রশংসা করেন।

    প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পুরুলিয়াতে রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ কৃষি মহাবিদ্যালয় পথচলা শুরু করেছে। এদিন ওই কলেজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। কলেজ প্রাঙ্গণের পাশাপাশি পুরুলিয়ার রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠের অডিটরিয়ামের উদ্বোধন হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি তথা পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তন ছাত্র এন কোটেশ্বর সিং, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দজি মহারাজ, রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, পুরুলিয়ার রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক স্বামী শিবপ্রদানন্দজি মহারাজ। এছাড়াও বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিধো কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

    এদিনের অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বলেন, রামকৃষ্ণ মিশনের অডিটরিয়ামে ছাত্রীরাও বসে আছে এটা দেখে আমি আপ্লুত। এই কৃষি মহাবিদ্যালয় এলাকা ও  পুরুলিয়া জেলার কৃষকদের সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেবে। এই কলেজে ছাত্রীদের উপস্থিতি সমাজে মেয়েদের এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিচ্ছে। সেনাবাহিনী থেকে আদালতের তিনটি স্তরে মহিলা বিচারপতির সংখ্যা বেড়েছে। এটা সমাজের জন্যও ভালো। এদিনের অনুষ্ঠানে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী বলেন, এখানে শুধু একটা কলেজের উদ্বোধন হল তা নয়, সমগ্র অঞ্চলের জন্য নতুন ভাগ্যের শুভ সূচনা হল। কৃষি ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রকল্পে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে পুরুলিয়া অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। কলেজে কৃষি শিক্ষা শুধুমাত্র গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। সাধারণ কৃষকদের সঙ্গে কৃষি বিজ্ঞান যাতে কোন মতে বিচ্ছিন্ন না হয়ে যায় তা খেয়াল রাখতে হবে। কলেজের পড়ুয়া থেকে কৃষি বিজ্ঞানীদের কৃষকদের মতো করেই চিন্তা করতে হবে। তবেই সাফল্য আসবে। 

    অন্যদিকে সদ্য গঠিত এই কলেজে মোট ৩৯ জন পড়ুয়া রয়েছে। তার মধ্যে ২০ জনই ছাত্রী রয়েছে। এ বিষয়ে প্রদীপবাবু বলেন, এক সময় কৃষি মহাবিদ্যালয় গুলিতে মহিলাদের খুঁজে পাওয়া যেত না। এখন সময় পাল্টেছে। কৃষি দপ্তরেও মহিলা আধিকারিকের সংখ্যা 

    বেড়েছে। -নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)