• দিল্লিতে কমিশনের দরবারে বিজেপি নেতারা, বঙ্গে SIR নিয়ে কী বললেন শমীক?
    প্রতিদিন | ০৪ নভেম্বর ২০২৫
  • সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: বাংলায় এসআইআর হবেই। দিল্লিতে দাঁড়িয়ে আরও একবার সেই কথা বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এসআইআরের প্রতিবাদে মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল নেতৃত্ব কলকাতায় মিছিল করবেন। তার আগের দিন বিজেপির প্রতিনিধি দল দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন। এদিন সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য, বিপ্লব দেব, অমিত মালব্য ও ওম পাঠক।

    বাংলার একাধিক জায়গায় অনুপ্রবেশকারীরা রয়েছেন। বহু ক্ষেত্রে ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করে অনুপ্রবেশকারীরা থাকছেন। সেই অভিযোগ বিজেপি করে আসছে। আরও একবার কমিশনের কাছে সেই বক্তব্য রেখেছেন নেতৃত্ব। বাংলার উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত ও মধ্যমগ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর, উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে ভুয়ো পরিচয়পত্র, নথি তৈরি করা হচ্ছে, এমন অভিযোগ এদিন বিজেপির প্রতিনিধি দল কমিশনকে জানিয়েছে বলে খবর। এদিন বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ বিজেপি নেতৃত্ব কমিশনের অফিসে গিয়েছিলেন। প্রায় এক ঘণ্টা দুই তরফের কথাবার্তা হয় বলে খবর।

    রাজ্যে এসআইআর হবে। তৃণমূল কংগ্রেস মিছিল-প্রতিবাদ করেও আটকাতে পারবে না। জোর গলায় এই কথা জানিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। বাংলা-সহ আরও ১২টি রাজ্যে এই এসআইআর হবে। অন্য কোনও রাজ্যে তো প্রতিবাদ হচ্ছে না। তাহলে বাংলায় কেন? তাহলে কি ভুয়ো ভোটার, অনুপ্রবেশকারীরা আছে? এই প্রসঙ্গ এদিন তোলেন শমীক। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার থেকেই রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হবে। বিএলও-রা ফর্ম নিয়ে সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি যাবেন। তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

    এদিন কমিশনের দপ্তরে যাওয়ার কথা থাকলেও বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। দিল্লি থেকে রবিবার বাংলায় ফিরেছিলেন বিজেপির এই মন্ত্রী-সাংসদ ফিরেছিলেন। সোমবার কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে পৌঁছে যান শান্তনু। তিনি শুনতে পান, বৈঠক কলকাতায় নয় দিল্লিতে। ততক্ষণে সময় অনেকটাই পেরিয়ে গিয়েছে। দিল্লিতে শমীক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে বৈঠক শুরু হয়ে গিয়েছে। তাহলে কি ‘ভুল বোঝাবুঝি’ থেকে এমন হল? কেন তাঁকে এদিন দিল্লি যাওয়ার কথা কেউ মনে করালেন না? সেই প্রশ্ন উঠেছে। বিজেপির অন্দরেও একটা অংশে গুঞ্জন শুরু হয়েছে বলে খবর।
  • Link to this news (প্রতিদিন)