ভবানীপুরের প্রচারে মীনাক্ষী, বিজেপিতে যাওয়া ভোটারদের কাছে টানতে তৎপর সিপিএম
বর্তমান | ১২ নভেম্বর ২০২৫
সোহম কর, কলকাতা: বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে ভবানীপুর কেন্দ্র এখন থেকেই সরগরম। একে মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র, তার উপর বিজেপি হইচই শুরু করে দিয়েছে। তৃণমূল আর বিজেপির দড়ি টানাটানির মধ্যে এই কেন্দ্রে প্রান্তিকতম শক্তি হয়েছে সিপিএম। তৃণমূলকে বেগ দেওয়ার মতো সাংগঠনিক জোর আরও অনেক কেন্দ্রের মতো এখানেও নেই সিপিএমের। সেকথা স্থানীয় নেতারা স্বীকারও করে নিয়েছেন। এই কেন্দ্রে সিপিএমের একটাই চেষ্টা, নিজেদের খোয়ানো ভোট ফিরে পেয়ে যদি বিজেপিকে পিছনে ফেলা যায়। আর এই কাজকে ত্বরান্বিত করতে সিপিএমের হাতিয়ার মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। আজ, বুধবার সন্ধ্যায় ভবনীপুরে সভা করবেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির এই সদস্যা। তাহলে কি নন্দীগ্রামের পুনরাবৃত্তি? নেতৃত্ব সেসব আলোচনা আপাতত তুলে রাখতে চাইছেন।
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের সবক’টি অংশে বিএলএ দিতে পারেনি বামেরা। এক নেতার দাবি, ৮০ শতাংশ পার্টে দিতে পেরেছি। শেষ সম্মেলনে ভবানীপুরের এরিয়া কমিটি ভেঙে দু’টি করা হয়েছে। ভবানীপুর কেন্দ্রে পুরনো ভোটারদের আবার ফিরিয়ে আনার প্রবল চেষ্টা চালাচ্ছে পার্টি। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুকে দিয়ে পার্টি অফিসের উদ্বোধন করা হয়েছে। নভেম্বর বিপ্লবকে সামনে রেখে বুক স্টল খোলা হয়েছিল। যেখানে তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এক নেতার কথায়, এই অবস্থায় এর চেয়ে ভালো আর আশা করা যায় না।
কলকাতা জেলার এক নেতার কথায়, ‘আমরা আশাবাদী যে, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের সভায় অন্তত পাঁচশো লোকের জমায়েত হবে। যা কয়েক মাস আগেও ভাবা যেত না। সিপিএম কিন্তু অলিগলিতে এসআইআর নিয়ে ক্যাম্প করছে।’ ওই নেতার ব্যাখ্যা, ‘বনেদি বাঙালি পরিবারগুলির মধ্যে বিজেপি বিরোধী হাওয়া রয়েছে। আমরা তরুণ ও অবাঙালিদের মধ্যে যাওয়ার
চেষ্টা করছি। সমাবেশ হচ্ছে ৭৩ নম্বর ওয়ার্ড লাগোয়া ৭১ নম্বর ওয়ার্ডে। পরিষ্কার কথা হল, আমাদের ভোটের বড় অংশ বিজেপিতে চলে গিয়েছে, সেটাকে ফিরিয়ে আনারই চেষ্টা চলছে।’