• 'গণতন্ত্র ঝুঁকির মুখে', সংবিধান দিবসে পোস্ট মমতার
    আজকাল | ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গৃহীত হয়েছিল ভারতের সংবিধান প্রস্তাবনা। কার্যকরী হতে সময় লাগে আরও কয়েকমাস। ২৬ নভেম্বর, সংবিধান দিবস হিসেবে পালিত হয়ে থাকে। আর সংবিধান দিবসে পোস্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর। লিখলেন, এই সংকটের সময়ে, পথ দেখাতে পারে সংবিধান।  সংবিধান যে মূল্যবান নির্দেশনা প্রদান করে তা রক্ষা করতে হবে। সংবিধান দিবসে, তাঁর পোস্টে তিনি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, ডঃ বি. আর. আম্বেদকরের প্রতি।

    সংবিধান দিবসে কী লিখলেন মমতা?

    লিখলেন, 'আজ, এই সংবিধান দিবসে, আমাদের মহান সংবিধানের প্রতি, ভারতে আমাদের আবদ্ধকারী মহান দলিলের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা ও শ্রদ্ধা জানাই। আমি আজ আমাদের সংবিধানের দূরদর্শী প্রণেতাদের, বিশেষ করে এর প্রধান স্থপতি ডঃ বি. আর. আম্বেদকরের প্রতি আমার শ্রদ্ধা জানাই। আমি বিশেষ করে বাংলার গণপরিষদের সদস্যদের প্রতিও আমার শ্রদ্ধা জানাই, যাঁরা সংবিধান গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের সংবিধান আমাদের জাতির মেরুদণ্ড যা আমাদের সংস্কৃতি, ভাষা এবং সম্প্রদায়ের বৈচিত্র্যকে দক্ষতার সঙ্গে একত্রিত করে একটি সমন্বিত, ফেডারেল সমগ্রে পরিণত করে।




    এই বিশেষ দিনে, আমরা আমাদের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত মূল গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করি এবং একটি জাতি হিসেবে আমাদের সংজ্ঞায়িত এবং টিকিয়ে রাখার  নীতিগুলিকে সতর্কতার সঙ্গে রক্ষা করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    এখন, যখন গণতন্ত্র ঝুঁকির মুখে, যখন ধর্মনিরপেক্ষতা বিপন্ন পরিস্থিতিতে, যখন ফেডারেলিজমকে ধ্বংস করা হচ্ছে, এই সংকটময় সময়ে, আমাদের সংবিধান যে মূল্যবান নির্দেশনা প্রদান করে তা রক্ষা করতে হবে।' 

    বুধবার আম্বেদকরের মূর্তিতে মাল্যদান করেন মুখ্যমন্ত্রী। মাল্যদানের পর তিনি বলেন, 'আজকে যখন গণতন্ত্র বিপন্ন, ধর্মরপেক্ষতা বিপন্ন, মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে, নাগরিকত্ব নিয়ে, স্বাধীনতার এত বছর পরেও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, আমাদের সবাইকে নতুন করে প্রমাণ নিতে হচ্ছে, আমরা দেশের নাগরিক কি না। আমরা স্তম্ভিত, আমরা দুঃখিত, আমরা মর্মাহত।' তারপরেই তিনি বলেন, 'বাবা সাহেব আম্বেদকরের মূর্তিতে প্রণাম, শ্রদ্ধা জানিয়ে শপথ নিয়ে গেলাম, এই গণতন্ত্রকে যে কোনও মূল্যে রক্ষা করতে হবে।' 

    গেরুয়া শিবিরকে নাম না করেই খোঁচা দেন  মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, 'ভারতবর্ষের  গণতন্ত্র বৃহত্তম গণতন্ত্র। যারা বর্তমানে ক্ষমতায়, তাদের দয়ায় আসেনি। তারা স্বাধীনতা আন্দোলন করেনি। যাঁরা  স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাঁর নব্বই শতাংশ বাংলার।' 

     
  • Link to this news (আজকাল)