• বড় খবর! জামিন বাতিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের? আবার ফিরতে হবে জেলের অন্ধকারে? আদালতের চরম হুঁশিয়ারি...
    ২৪ ঘন্টা | ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • বিক্রম দাস: পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chattopadhyay) সশরীরে কোর্টে হাজিরা না দেওয়ার জন্য জামিন বাতিলের হুঁশিয়ারি ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিচারকের ।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ অনেকে যারা উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছে তাদের নিম্ন আদালতে প্রত্যেক হিয়ারিঙে (SSC Case) হাজিরা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বিচারক। এদিন দেখা যায় প্রাক্তন তৃণমূল নেতা ও মন্ত্রী-সহ একাধিক অভিযুক্ত স্বশরীরে হাজিরা দেননি। বুধবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল পার্থর। কিন্তু আজ সেখানে সশরীরে হাজিরা দেননি পার্থ।

    বিচারক তাদের উদ্দ্যেশ করে বলেন প্রত্যেক অভিযুক্তকে হিয়ারিঙে কোর্টে থাকতে হবে। অন্যথা এই কোর্টের পূর্ণ ক্ষমতা আছে হাজিরা না দিলে জামিন বাতিল করে দেওয়ার (Partha Chatterjee Bail)। 'আশা করি আপনারা পচা শামুকে পা কাটবেন না...' হুঁশিয়ারি বিচারকের।

    এতে বিচারক বলেন, 'পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ যাঁরা উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছে, তাঁদের প্রত্যেককে নিম্ন আদালতে হাজিরা দিতে হবে। আশাকরি পচা শামুকে পা কাটবেন না।" 

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের মামলায় আজ ব্যাঙ্কশাল কোর্টে শুনানি ছিল। কিন্তু জামিনে বাইরে থাকলেও, আজ সশরীরে আদালতে হাজিরা হননি পার্থ। চার্জশিটে নাম থাকা সত্ত্বেও আদালত কক্ষে হাজির হননি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বাকি অভিযুক্তরাও। তাঁদের অনুপস্থিতিতে রুষ্ট হন বিচার শুভেন্দু সাহা। 

    এদিন পার্থর আইনজীবী আদালতে জানান, স্বাস্থ্যজনিত কারণে পার্থ হাজিরা দিতে পারেননি। সেই মর্মে আবেদনও জানিয়েছেন তাঁরা। এতেই বিচারক হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, 'উচ্চ আদালত থেকে যাঁরা জামিন পেয়েছেন, তাঁদের আইনজীবীকে বলে দিচ্ছি, ওঁদের গিয়ে বলে দেবেন, শুনানি থাকলে প্রত্যেককে আদালতে উপস্থিত হতে হবে। হাজিরা না দিলে এই কোর্টের অধিকার আছে জামিন বাতিল করে দেওয়ার।' 

    বিচারক আরও বলেন, 'আমি কারও নাম নিচ্ছি না নির্দিষ্ট ভাবে। প্রত্যেককে বলছি, যাঁরা উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে ভাবছেন বাড়িতে থাকবেন, আদালতের কিন্তু অধিকার আছে হাজিরা না দিলে জামিন বাতিল করে দেওয়ার।'

    পার্থ, শান্তনুরা না গেলেও এদিন আদালতে হাজির ছিলেন কুন্তল ঘোষ, তাপস মণ্ডল, মানিক ভট্টাচার্য-সহ অনেকে। মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহাও হাজির ছিলেন আদালতে। পার্থরও সশরীরে হাজির থাকার কথা ছিল। কিন্তু শুনানি শুরু হতে দেখা যায়, পার্থ নেই। আর তাতেই রুষ্ট হন বিচারক। শুনানিতে হাজিরা না দিলে জামিন বাতিল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। 

    এর পর অন্য দিনের মতোই শুনানি হয় আজ। ৬ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি। ওই দিন পার্থ ও শান্তনু হাজিরা দেন কি না দেখার। আজও পার্থ হাজিরা দেবেন বলেই মনে করেছিলেন সকলে। তবে তিনি আসেননি শেষ পর্যন্ত। এদিন পার্থর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের আবেদনেরও শুনানি হয় আদালতে। তাঁর তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান অর্পিতা।

     

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)