• ‘SIR’ মিটিংয়ে না যাওয়ায় সাসপেন্ড, বিয়ের আগের দিন আত্মঘাতী তরুণ
    এই সময় | ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • লখনৌ: ‘সার’-এর চাপে দেশের বিভিন্ন প্রান্তেই নিয়মিত ভাবে বিএলওদের অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। কারও কারও মৃত্যুও হয়েছে। এ বার, আত্মহননের পথ বেছে নিলেন এক বিএলও। পরিবার তাঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী করছে ‘সার’কে-ই। মৃতের দিদি এই মর্মে পুলিশে লিখিত অভিযোগও জানিয়েছেন। সব ঠিক থাকলে বুধবার অর্থাৎ ২৬ নভেম্বর তাঁর বিয়ের কথা ছিল। ঘটনাস্থল উত্তরপ্রদেশের ফতেহপুর। আত্মঘাতী তরুণের নাম সুধীর কুমার। মঙ্গলবার তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    পুলিশ ও পরিবারসূত্রে খবর, রবিবার ‘সার’ সংক্রান্ত একটি বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি সুধীর। বুধবার বিয়ে বলে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি, ওই মিটিংয়ে না যাওয়ায় একটি দপ্তরর ক্লার্ক সুধীরকে সাসপেন্ড করা হয়। তার পর থেকেই তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সুধীরের দিদি এফআইআর-এ লিখেছেন, ‘মঙ্গলবার সকালে সরকারি এক আধিকারিক আমাদের বাড়ি এসে সুধীরকে ‘সার’-এর মিটিংয়ে যোগ না দেওয়ায় সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে চিঠি দিয়ে যান। সরকারি কর্তাদের দেওয়া এই চাপ ও হেনস্থা সহ্য করতে পারেনি আমার ভাই। তাই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।’ তিনি জানান, সাসপেন্ড হওয়ার পর থেকেই সুধীর অত্যন্ত মনমরা হয়ে পড়েছিলেন। সংসার চলবে কী করে তা নিয়েও আশঙ্কা করতে থাকেন। তার পরে সকলের চোখের আড়ালে এমন একটা চরম কাণ্ড ঘটান।

    ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ‘সার’-এর ফর্ম বিলি, সংগ্রহ ও ভোটারদের তথ্য আপলোডের কাজ শেষ করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যেই বিএলও-রা দাবি করেছেন যে কাজের অত্যধিক চাপ সামলানো যাচ্ছে না। গত সপ্তাহে মধ্যপ্রদেশেও দুই শিক্ষক যাঁরা বিএলও-র কাজ করছিলেন, তাঁদের মৃত্যু হয় ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে। সেখানেও পরিবার দায়ী করেছিল এসআইআর-কে।

  • Link to this news (এই সময়)