উবার চালকের বিরুদ্ধে শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ তুললেন দিল্লির এক তরুণী। NDTV-র খবর অনুযায়ী, বুধবার দুপুরে ওই ঘটনার পরে তিনি উবার সেফ্টি, দিল্লি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনও সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ তরুণীর। তরুণীর দাবি, ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময়ে উবার চালক তাঁর হাত মুচকে দেন বলে তাঁর অভিযোগ।
ওই তরুণী এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে বিষয়টি জানান। লেখেন, জীবনে প্রথমবার এই রকম অভিজ্ঞতা হলো। বুধবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। বসন্ত বিহারের বাড়ি থেকে ওই তরুণী দক্ষিণ দিল্লির সর্বোদয়া এনক্লেভে ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছিলেন। মাঝ রাস্তায় তাঁকে হেনস্থা করা হয়।
তরুণী সোশ্যাল পোস্টে জানান, মারাত্মক দূষণে আমার শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। চোখ চুলকাচ্ছিল, ব্রহ্মতালু জ্বালা করছিল। শরীরে একটা অস্বস্তি হচ্ছিল। এ দিকে উবার চালক ড্রপ লোকেশনের অনেক আগেই গাড়ি দাঁড় করিয়ে দেন। তাঁকে বলা হলে, আরও কিছুটা এগিয়ে গাড়ি থামিয়ে দেন। হঠাৎই গাড়ি ঘুরিয়ে অন্য একটা লেনে ঢুকে যান।
তরুণী গাড়ি থামাতে বললে, চালক থামাননি বলে অভিযোগ। উল্টে গাড়ির গতি বাড়াতে থাকেন। তিনি অভিযোগ তোলেন, ‘আমি চিৎকার করতে শুরু করি। গাড়ির দরজা খুলে নেমে যাওয়ার চেষ্টা করলে চালক বাঁ হাত গিয়ে আমার হাত চেপে ধরে মুচড়ে দেন। আমিও প্রাণপণে চিৎকার করতে শুরু করলে, গাড়ি থামিয়ে দেন।’
তরুণীর অভিযোগ, গাড়ি থেকে নেমেই ১০০ নম্বর ডায়াল করেন। উবার সেফ্টিতে যোগাযোগ করলেও কোনও সহযোগিতা পাননি। সেই সময়ে অটোচালক তাঁর হাত মুচকে দেন। তখনও সেখানে উবার চালক দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি তরুণীকে বলতে থাকেন, ‘যান, পুলিশকে ফোন করুন।’ এমনকী গাড়ির চালক ভাড়ার টাকা নিতেও অস্বীকার করেন। এর পরে অটো ধরে ক্লিনিকে পৌঁছন। বাড়ি ফিরে এক্স হ্যান্ডলে সবটা জানান।
তরুণীর সেই পোস্ট শেয়ার করার পরে উবার ইন্ডিয়া সাপোর্ট এক্স হ্য়ান্ডলে রিপ্লাই করে। তারা জানায়, এই ধরনের ঘটনা কখনওই তারা সমর্থন করে না। যাত্রীদের নিরাপত্তাই তাদের কাছে প্রাধান্য পায়। স্পেসিফিক ট্রিপ, সময়, তারিখ জানতে চায় তারা।
ডিসিপি সাউথ দিল্লির এক্স হ্যান্ডলেও পোস্ট করা হয়। আজ, ওই তরুণী পুলিশে FIR দায়ের করেছেন। একই সঙ্গে এক্স পোস্টে লিখেছেন, ‘দয়া করে খেয়াল রাখুন, বিপদে পড়লে পুলিশকে যেন আরও তাড়াতাড়ি পাশে পাওয়া যায়।’