সঞ্জিত ঘোষ, নদিয়া: ‘যৌনাঙ্গ’ দেখিয়ে মেয়েদের স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে আপত্তিকর ইঙ্গিত! ধাওয়া করে অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরল স্থানীয় লোকজন। এরপরেই চলে বেধড়ক মার। প্রকাশ্যে অভিযুক্তকে করানো হয় কান ধরে উঠবোসও। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় কোতোয়ালি থানার পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তকে। জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে অপরাধ কবুল করেছে অভিযুক্ত ব্যক্তি। ঘটনার পরেই স্কুলের সামনে পুলিশের পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষ্ণনগর শহরের বহুল পরিচিত মেয়েদের ওই স্কুল। সামনেই রাস্তা। স্থানীয়দের দাবি, প্রত্যেকদিনই অভিযুক্ত ওই রাস্তা দিয়ে স্কুল টাইমে যাতায়াত করত। গতিবিধি যথেষ্ট সন্দেহজনক ছিল। অভিভাবকদের দাবি, এই ঘটনা নতুন নয়, এর আগেও স্কুলের ছাত্রীদেরকে লক্ষ্য করে অশালীন ইঙ্গিত করেন ওই ব্যক্তি। ঘটনার প্রতিবাদ জানালে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় মানুষজন হাতেনাতে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে ধরেও ফেলেন। শুধুমাত্র সাবধান করে ছেড়ে দেন স্থানীয় মানুষজন। কিছুদিনের জন্য বেপাত্তা হয়ে গেলে সম্প্রতি ফের ওই স্কুলের সামনে আনাগোনা শুরু করে ওই ব্যক্তি। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার স্কুল শুরুর সময় স্কুলের দুই ছাত্রী ও এক শিক্ষিকাকে ‘যৌনাঙ্গ’ দেখিয়ে অশালীন ইঙ্গিত করতে থাকেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসতেই ধাওয়া করে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই ব্যক্তির বাড়ি কোতোয়ালি থানার আমঘাটা এলাকায়। তিনি নিজেকে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যাপক বলে দাবি করেন, যদিও ওই কলেজে খোঁজ করে তাঁর সম্পর্কে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। শুধু তাই নয়, মেয়েদের স্কুলের সামনে প্রকাশ্যে এই ঘটনায় প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা।