• ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ফিল্মি কায়দায় অভিযুক্তকে এনকাউন্টার পুলিশের, উত্তাল ভোপাল
    এই সময় | ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে উত্তাল হয়েছিল মধ্যপ্রদেশ। ১৪৪ ঘণ্টার তল্লাশি শেষে বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত যুবক সলমনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। কিন্তু তার পরেই জমে উঠল আসল নাটক। পুলিশের গাড়ির টায়ার পাংচার হলো, সেই সুযোগে সাব ইনস্পেক্টর রিভলভার নিয়ে পালাতে গেল সলমন। শেষ পর্যন্ত পুলিশের এনকাউন্টার। আপাতত গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি সলমন।

    ঘটনার সূত্রপাত ২১ নভেম্বর রাইসেনে। বাড়ির সামনে খেলছিল ৬ বছরের শিশু। অভিযোগ, তাকে চকোলেটের লোভ দেখিয়ে জঙ্গলে টেনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন সলমন। গুরুতর জখম অবস্থায় শিশুকে উদ্ধার করেন তার আত্মীয়রা। ভর্তি করানো হয় হাসপাতালে। শারীরিক পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মেলার পরেই খেপে ওঠেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর পরেই একাধিক তদন্তকারী দল গঠন করে সলমনের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।

    এই খবর সামনে আসতেই রীতিমতো খেপে উঠেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসনের উপর চাপ ক্রমশ বাড়ছিল। রাইসেন এবং ভোপাল জুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে ভোপাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তকে। গাড়িতে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল রাইসেনে। পুলিশের একটি গাড়ি ব্যাকআপ হিসাবে রাখা ছিল। সলমন যে গাড়িতে ছিল, তার চাকা আচমকাই পাংচার হয়ে যায়।

    পুলিশের দাবি, তাকে যখন অন্য গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেই সময়ে একজন সাব ইনস্পেক্টরের রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালাতে শুরু করে সলমন। সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা গুলি ছোড়ে পুলিশও। সলমনের পায়ে গুলি লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে সে। আপাতত তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

    শুধু ধর্ষণ নয়, সলমনের বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সলমনের মাথার দাম ৩০ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছিল। তাকে ধরতে তল্লাশি অভিযানে নেমেছিল ৩০০ পুলিশ। উল্লেখ্য, নির্যাতিতা শিশু বর্তমানে ভোপালের এইমসে চিকিৎসাধীন। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।

  • Link to this news (এই সময়)