নয়াদিল্লি, ২৮ নভেম্বর: দূষণে জেরবার রাজধানী দিল্লি। আজ, শুক্রবার সেই পরিস্থিতি ‘গুরুতর’ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। দিল্লির বায়ুদূষণ ‘মারাত্মক’ পর্যায়ে পৌঁছতে আর বেশি দেরি নেই। একাধিক পদক্ষেপ, পরিকল্পনা করেও দিল্লির দূষণ নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। এদিন সকালে দিল্লির বাতাসের গুণগতমান ছিল ৪০০। দিল্লির ৩৯টি দূষণ নজরদারি স্টেশনের মধ্যে ১৯টিতে মাত্রা ‘গুরুতর’ পর্যায়ে পৌঁছে যায়। যদিও দেশের রাজধানীতে দূষণ কমছে বলেই দাবি বিজেপি সরকারের। উল্টো দিকে ধুলো নিয়ন্ত্রণে দিল্লিতে জারি হয়েছে একগুচ্ছ নির্দেশিকা। বর্তমান দূষণ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দিল্লিতে ধুলোর মোকাবিলায় ১০ দফা নির্দেশিকা জারি করেছে দিল্লি দূষণ নিয়ন্ত্রণ কমিটি। সেখানে বলা হয়েছে, রাস্তা সারাই বা নির্মাণকাজে ধুলো যাতে না ওড়ে, সেই লক্ষ্যে সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। জায়গাটি ঢেকে রাখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নির্মাণ কর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে। যেসব ট্রাকে নির্মাণ সামগ্রী আসবে, তাও সম্পূর্ণ ঢেকে রাখতে হবে। যে ট্রাকগুলিতে অবশিষ্টাংশ যাবে, সেগুলিতেও একই পদক্ষেপ করতে হবে। এক কণা ধুলোও যাতে বাইরে না যায়, তা সুনিশ্চিত করতে হবে ঠিকাদার সংস্থাকেই। এদিন সকালে দিল্লির একাধিক জয়াগায় দূষণ ‘গুরুতর’ পর্যায়ে পৌঁছে যায়। যেমন- আনন্দ বিহার(৪১১), চাঁদনি চক(৪০৭), নারেলা(৪০৭), অশোক বিহার(৪১৭)। যদিও দূষণের বিষয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার দাবি, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে আপনারা উন্নতি দেখতে পাবেন।’