ভুয়ো নথি বানিয়ে হিন্দুদের জমি গ্রাস আল ফালাহ প্রধানের! ইডির হাতে বিস্ফোরক তথ্য
প্রতিদিন | ২৮ নভেম্বর ২০২৫
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভুয়ো কাগজ তৈরি করে গ্রাস করা হত হিন্দুদের জমি! বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের বিরুদ্ধে। ইডির তরফে দাবি করা হয়েছে, প্রয়াত হিন্দুদের মালিকানাধীন জমি তুলে দেওয়া হয়েছে আল ফালাহর চ্যান্সেলর জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকির ঘনিষ্ঠের হাতে। উল্লেখ্য, দিল্লি বিস্ফোরণের (Delhi Car Blast) পরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে আল ফালাহর চ্যান্সেলরকে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একের পর এক জঙ্গির নাম জড়িয়েছে গত কয়েকদিনে।
দিল্লি বিস্ফোরণে গোয়েন্দাদের রাডারে থাকা হরিয়ানার আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়কে (Al Falah University) আগেই সাসপেন্ড করেছিল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটিজ (এআইইউ)। পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে জোড়া এফআইআর দায়ের করে দিল্লি পুলিশের অপরাধদমন শাখা। প্রথমটি প্রতারণা এবং দ্বিতীয়টি জালিয়াতির অভিযোগে। জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত শুরু করে ইডি। আল ফালাহ-র প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর বহু প্রশ্নের উত্তর না পাওয়ায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারির দিনদশেক পরেই সিদ্দিকির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, দিল্লির মদনপুর খাদারের জমি বেআইনিভাবে দখল করেছেন সিদ্দিকিঘনিষ্ঠ। ৭৯২ নম্বর খসড়ার বেশ কিছু জমি ২০০৪ সালের জেনারেল পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি ব্যবহার করে তুলে দেওয়া হয়েছে সিদ্দিকির ঘনিষ্ঠ তারবিয়া এডুকেশন ফাউন্ডেশনের হাতে। কিন্তু ওই জমির মালিকরা হিন্দু ছিলেন এবং সকলেই ১৯৭২ থেকে ১৯৯৮ সালের মধ্যে মারা গিয়েছেন। অর্থাৎ ভুয়ো পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি ব্যবহার করে ওই জমির দখল নিয়েছে সিদ্দিকির ঘনিষ্ঠ সংস্থা।
ফরিদাবাদে বিস্ফোরক উদ্ধার, বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের গ্রেপ্তারি এবং তারপর দিল্লি বিস্ফোরণের সঙ্গেই জড়িয়ে যায় আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। সূত্রের খবর, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন চিকিৎসক রয়েছে এই নাশকতার নেপথ্যে। দিল্লি বিস্ফোরণের আত্মঘাতী জঙ্গি উমর-উল-নবি এই আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর সিদ্দিকি এখনও রয়েছেন ইডি হেফাজতে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।