নয়াদিল্লি: দিল্লি বিস্ফোরণ ও ফরিদাবাদের মেডিকেল মডিউলের মধ্যে একের পর এক যোগসূত্র সামনে আসছে। এবার মেডিকেল মডিউলের অন্যতম মাথা শাহিন শাহিদকে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে গিয়ে জেরা করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার প্রাক্তন অধ্যাপক-চিকিৎসক শাহিনকে আল-ফালাহ ক্যাম্পাসে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে তাকে ২২ নম্বর রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। একসময় এখানেই থাকত সে। এরপর তার কেবিন, ক্লাসরুম সহ একাধিক জায়গা ঘুরে দেখেন তদন্তকারীরা। সেই সময় সঙ্গে ছিল শাহিনও। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মীদের সামনেই তাকে নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ক্যাম্পাসে এসে কারা কারা শাহিনের সঙ্গে দেখা করেছিলেন, সেই খোঁজও নেন আধিকারিকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মীর সঙ্গে কথা বলে শাহিন সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এমনকি উপাচার্যের মুখোমুখি বসিয়ে শাহিনকে একের পর এক প্রশ্ন করেন এনআইএ আধিকারিকরা।
তদন্ত সূত্রে আরও এক তথ্য সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে শাহিনকে বিয়ে করেছিল ধৃত মুজাম্মিল। তারপর ধীরে ধীরে নেটওয়ার্ক মজবুত করে এই ‘টেরর কাপল’। আল-ফালাহর আচার্য জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকির বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ এনেছে ইডি। মৃত হিন্দু জমি মালিকদের নামে নথি জাল করে দিল্লির মদনপুর খাদার এলাকায় একের পর এক জমি দখল করেছেন তিনি। ইতিমধ্যে সেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।