নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তরবঙ্গ কিংবা দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বেড়াতে যাওয়ার জন্য পর্যটকদের অন্যতম পছন্দ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। সেই ট্রেনই এবার যাত্রীদেন জন্য একেবারে ঝাঁ চকচকে চেহারায় হাজির হচ্ছে। থাকছে যাত্রীবান্ধব একাধিক ব্যবস্থা। চলতি শীতের মরশুমেই ভ্রমণপিপাসুরা এই নতুন ট্রেনে চড়ার অনন্য অভিজ্ঞতা লাভ করতে চলেছেন। পুরোনো রেকগুলি সম্পূর্ণ বদলে অত্যাধুনিক এলএইচবি কোচে রূপান্তরিত করা হয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসকে। যাত্রী নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য ও আরামদায়ক ট্রেন সফরের যাবতীয় সুযোগ সুবিধা থাকছে নয়া এই রেকগুলিতে।
সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাত্রী সুরক্ষার ক্ষেত্রে। ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রায়শই দেখা যায়, কামরাগুলি একটি অন্যটির উপরে উঠে পড়েছে। ফলে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ে। নয়া প্রজন্মের এলএইচবি কোচগুলির অ্যান্টি টেলিস্কোপিক ডিজাইন ট্রেনটিকে আগের আইসিএফের তুলনায় পৃথক গুণমানযুক্ত করেছে। এর ফলে দুর্ঘটনার সময় কামরাগুলি কখনওই একে অপরের ঘাড়ে উঠে পড়বে না। প্রাণহানির সংখ্যা অনেকটাই কমবে বলে মত রেলকর্তাদের। এছাড়া, আধুনিক ডিস্ক ব্রেক রয়েছে কোচগুলিতে। এছাড়াও ট্র্যাক কামড়ে চলার বিশেষ গুণ রয়েছে এই ট্রেনগুলির। কোচগুলি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে ট্রেন সফরে আওয়াজ কম হবে। এছাড়া, আগের কোচগুলির তুলনায় নয়া এলএইচবি কোচ অনেকটাই বড়। কোচের ভিতরে বাহারি আলো, সাফসুতরো শৌচাগার ও উন্নত ইন্টিরিয়র এই ট্রেন সফরকে অনেক বেশি উপভোগ্য করে তুলবে বলেই দাবি রেলের। দেশজুড়েই চলছে রেকের সার্বিক এই ভোল বদলের কাজ। করা হচ্ছে পরিকাঠামোগত নানা পরিবর্তনও।