• পর্যটকদের সমস্ত তথ্য পোর্টালে দিতেই হবে, নির্দেশ পুলিশ-প্রশাসনের
    এই সময় | ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • এই সময়, দিঘা: ডিসেম্বরে পর্যটকদের ঢল নামার আশা করছেন দিঘার পর্যটন ব্যবসায়ীরা। ভিড়ের সময়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দিঘা-মন্দারমণি-তাজপুরের মতো পর্যটনকেন্দ্রগুলির নিরাপত্তায় বাড়তি নজর দিচ্ছে পুলিশ-প্রশাসন। অভিযোগ, প্রশাসনের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পর্যটকদের নাম ও তথ্য পুলিশের বিশেষ পোর্টালে আপলোড করছেন না হোটেলে কর্তৃপক্ষ। মরশুমের ঠিক আগে ফের কড়াকড়ি শুরু হয়েছে। সম্প্রতি হোটেল সংগঠনগুলিকে পর্যটকদের তথ্য নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

    নিরাপত্তা প্রসঙ্গে দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের প্রশাসক সুরজিৎ পণ্ডিত বলেন, 'পর্যটকদের নিরপত্তার উপরে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি হোটেল সংগঠনগুলিকে নিয়ে এক বৈঠকে হোটেলগুলিকে ট্যুরিস্ট সার্ভিস ট্যাক্স ও পুলিশ পোর্টালে পর্যটকদের তথ্য নথিভুক্ত করার বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বড়দিনের আগে আবার বৈঠক হবে। এই বৈঠকে আর কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গত এপ্রিল মাসে জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের পর থেকে দিঘায় পর্যটকদের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। করোনা পরিস্থিতির আগে বছরে দিঘায় প্রায় ৪০-৫০ লক্ষ পর্যটক বেড়াতে আসতেন। সেখানে উদ্বোধনের পরে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯০ লক্ষ পর্যটক শুধু মন্দিরে এসেছেন বলে হিসেব কর্তৃপক্ষের।

    নতুন বছরের আগে এই সংখ্যা এক কোটিতে পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন মন্দির ট্রাস্টি কমিটির সদস্য রাধারমণ দাস। তিনি বলেন, 'দেশের পর্যটকদের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকরাও আসছেন মন্দির দেখতে।' ভিড়ের সুযোগে অপরাধ ঠেকাতে দিঘা সমেত তিন পর্যটনকেন্দ্রের নিরাপত্তায় বিশেষ নজর দিয়েছে প্রশাসন। ডিএসপি (ডি অ্যান্ড টি) আবুনুর হোসেন বলেন, 'আগেই দিঘা থানাকে ভেঙে দিঘা মোহনা কোস্টাল থানা তৈরি করা হয়েছিল। এ বার দিঘা থানাকে আইসি থানায় উন্নীত করা হয়েছে নজরদারির সুবিধার জন্যে। হোটেলে আসা পর্যটকদের তথ্য পুলিশ পোর্টালে দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ভিড়ের সময়ে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে তার তদন্তে সুবিধা হবে। তেমনই অপরাধীকে সহজে চিহ্নত করা সম্ভব হবে।' নিউ দিঘা হোটেল মালিক সংগঠনের সম্পাদক অশোক চন্দ বলেন, 'হোটেল মালিকদের পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে বলেছি।

  • Link to this news (এই সময়)