রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যঙ্কে গাড়ির ঋণে জালিয়াতির অভিযোগ। সেই মামলাতেই পুনের ১২টি জায়গায় তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ঋণ গ্রহীতা থেকে শুরু করে গাড়ি ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালানো হয়েছে। একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইডির অভিযোগ, ভুয়ো নথি দেখিয়ে বিলাসবহুল গাড়ির জন্য ঋণ নিয়ে ব্যাঙ্ককে প্রতারিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কটির একটি শাখা থেকেই এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় কাঠগড়ায় রয়েছেন, ওই শাখার তৎকালীন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার অমর কুলকার্নি। তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চলেছে।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই তল্লাশিতে একাধিক অস্থাবর সম্পত্তির হদিস মিলেছে। ঋণ গ্রহীতার নামে এত সম্পত্তি কী ভাবে কেনা হয়েছে, সেই অর্থের উৎস খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা। এছাড়াও একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সিবিআই-এর এফআইআর-এর উপর ভিত্তি করে তদন্তে নেমেছে ইডি। দুর্নীতিদমন আইনের অধীনে মামলা রুজু করা হয়েছিল। আরও একাধিক ধারায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল।
২০১৭-২০১৯ পর্যন্ত এসবিআই-এর পুনে ইউনিভার্সিটি রোড ব্রাঞ্চের চিফ ম্যানেজার ছিলেন অমর কুলকার্নি। তাঁর পদের অব্যবহার করে অটো লোন কাউন্সিলর আদিত্য শেঠিয়ার সঙ্গে মিশে লোন নিয়ে কারচুপি করেছেন বলে অভিযোগ। একাধিক ব্যক্তিকে ভুয়ো নথির ভিত্তিতে বিপুল দামের বিলাসবহুল গাড়ি কেনার নাম করে ঋণ পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। ইডির দাবি, দাম বেশি দেখিয়ে ভুয়ো নথি জমা দিয়ে ঋণ হিসেবে টাকা লোপাট করে দেওয়া হয়েছ।
সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, তদন্তের সময়ে একাধিক দামি গাড়ির হদিস মিলেছে। সেই তালিকায় রয়েছে, BMW, Volvo, Mercedes, Land Rover প্রভৃতি।