সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: মূক ও বধির নাবালিকাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ। জানাজানি হতেই অভিযুক্ত ভ্যানচালককে গণপিটুনির অভিযোগ উত্তেজিত জনতার বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানা এলাকার ঘুটিয়ারি শরিফ। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানা এলাকার ঘুটিয়ারি শরিফের বাসিন্দা বছর দশেকের ওই মূক ও বধির নাবালিকা। পরিবারের সদস্যরা সকালে কাজে বেরিয়ে যেতেন। ফলে বাড়িতে একাই থাকত নাবালিকা। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নেয় এলাকারই বাসিন্দা, পেশায় ভ্যানচালক কওসার শেখ। অভিযোগ, খাবারের লোভ দেখিয়ে প্রায়ই নাবালিকাকে ধর্ষণ করত সে। কিন্তু বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ওই নাবালিকা কাউকে কিছু জানাতে পারেনি। শুক্রবার রাতে ফের কওসার নাবালিকার বাড়িতে হাজির হয়, ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যরা দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে নাবালিকা। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে স্থানীয়রা জানতে পারেন ঘটনার নেপথ্যে কওসার। এরপরই উত্তেজিত জনতা চড়াও হয় তার উপর। চলে গণধোলাই। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ক্যানিং মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রামকুমার মণ্ডল আইনানুগ ব্যবস্থার আস্থা দিয়ে ক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। এরপরই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে নির্যাতিতার। এলাকায় এখনও জারি চাপা উত্তেজনা, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।