পরীক্ষার আগে ও পরে চিহ্নিত ২৬৯ অযোগ্য চাকরিপ্রার্থী! বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানাল SSC
প্রতিদিন | ২৯ নভেম্বর ২০২৫
ধীমান রক্ষিত: কোনও অযোগ্য চাকরিপ্রার্থী যেন পরীক্ষায় বসতে না পারেন, স্পষ্ট জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তারপরও অনেকে পরীক্ষা দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। শুক্রবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন জানিয়েছে, পরীক্ষার আগে ও পরে তারা ২৬৯ অযোগ্যকে শনাক্ত করছে। প্রশ্ন উঠছে, পরীক্ষার পরে চিহ্নিত হওয়া অযোগ্যরা কি পরীক্ষায় বসেছিলেন?
২০২৫ সালে নিয়োগ পরীক্ষার পর নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। সেই প্রক্রিয়ায় কোনও চাকরিপ্রার্থী অযোগ্য কি না, তা খতিয়ে দেখছে এসএসসি। এই তালিকায় রয়েছেন বিশেষভাবে সক্ষম চাকরিপ্রার্থীরাও। সব অযোগ্যকে বাদ দিচ্ছে কমিশন। তাছাড়া পরীক্ষার আগেও যাচাই প্রক্রিয়া চলেছিল। তাতে অনেকে পরীক্ষায় বসতে পারেননি।
পাশাপাশি, স্কুল সার্ভিস কমিশন শুক্রবারের বিজ্ঞপ্তি আরও জানিয়েছে, যদি কারও মনে হয়, বা নজরে পড়ে তালিকায় আরও অযোগ্যপ্রার্থী রয়েছে। তাহলে তা কমিশনকে জানাক। এসএসসি সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখে, ওই প্রার্থী অযোগ্য হলে তাঁকে বাদ দেবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের নিয়োগ দুর্নীতিতে গোটা প্যানেল বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট। মামলার শুনানির সময় অযোগ্য প্রার্থীদের একটি তালিকা আদালতে জমা দিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কিন্তু বাকি সকলেই যে যোগ্য তা হলফ করে বলেনি কমিশন। শীর্ষ আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, যোগ্য-অযোগ্য প্রার্থীদের আলাদা করতে না পারায় গোটা প্যানেল বাতিল করা হল। চাকরি যায় প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীর।
তারপর শীর্ষ আদালতের নির্দেশে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে স্কুল সার্ভিস কমিশন। পরীক্ষা হয়েছে নির্বিঘ্নেই। নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। একাদশ-দ্বাদশের নথি যাচাই চলছে। এই আবহে সুপ্রিম কোর্ট ফের সাফ জানিয়ে দেয়, তালিকায় যেন কোনও অযোগ্য না থাকেন। অন্যদিকে নতুন করে সব অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেয় আদালত। তারপর অযোগ্য প্রার্থীদের পুরো তথ্য দিয়ে তালিকা প্রকাশ করে এসএসসি। শুক্রবার তারা জানাল পরীক্ষার আগে ও পরে পরীক্ষার্থী হিসাবে আবেদন করা ২৬৯ জন অযোগ্যকে চিহ্নিত করেছে তারা।