• শিক্ষকেরা বিএলও, পরীক্ষার মুখে চিন্তা
    আনন্দবাজার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • বিএলওদের বড় অংশ প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। এ দিকে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শুরু হবে বার্ষিক পরীক্ষা। অভিযোগ, এসআইআরের কাজে ব্যস্ত থাকায় পরীক্ষার পাঠ্যক্রম শেষ করতে পারেননি শিক্ষকদের একাংশ। এমনিতেই প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক কম। তার মধ্যে শিক্ষকেরা অন্য কাজে ব্যস্ত হওয়ায় রুটিন অনুযায়ী ক্লাস চালানো সম্ভব হয়নি। কোচবিহার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সূত্রের খবর, ৪ ডিসেম্বর এসআইআর শেষ হওয়ার কথা। সে কথা মাথায় রেখে তার পর থেকেই পরীক্ষার রুটিন তৈরির কথা ভাবা হয়েছে। যাতে সব শিক্ষক-শিক্ষিকা সে সময়ে স্কুলে উপস্থিত থাকতে পারেন। কোচবিহার জেলা স্কুল পরিদর্শক (প্রাথমিক) মৃণালকান্তি রায় বলেন, ‘‘সব কথা মাথায় রেখেই পরীক্ষার রুটিন তৈরির কথা ভাবা হয়েছে। যাতে ওই সময়ে কারও অসুবিধে না হয়।’’

    শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহার জেলায় ১৮৭২টি প্রাথমিক স্কুল। তাতে প্রায় দু’লক্ষ পড়ুয়া রয়েছে। শিক্ষক রয়েছেন কয়েক হাজার। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। অভিযোগ, প্রায় প্ৰত্যেক স্কুল থেকেই প্রাথমিক শিক্ষকদের বিএলও নিয়োগ করা হয়েছে। তৃণমূল মাধ্যমিক শিক্ষক সেলের কোচবিহার জেলার সভাপতি সুব্রত নাহা বলেন, ‘‘ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষা, তথ্য অনলাইনে আপলোড করা, মার্কশিট তৈরি করা ও ছাত্র ভর্তি করার প্রক্রিয়া হয়। এ বার ডিসেম্বরে শিক্ষকেরা স্কুলে না ফিরলে সঙ্কট আরও বাড়বে।’’ শিক্ষকদের অনেকে আশঙ্কা করছেন, ৪ ডিসেম্বরের পরেও এসআইআরের কাজ হবে। সেক্ষেত্রে যদি শিক্ষকদের কাজে নিয়োগ করা হয়, তা হলে স্কুলে সমস্যা বাড়বে।’’ বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কোচবিহার জেলা সম্পাদক পার্থ ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘সামনেই পরীক্ষা। পাঠ্যক্রম শেষ করা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু সেটাই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’’
  • Link to this news (আনন্দবাজার)