পশ্চিমবঙ্গে স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতার BDO অফিসে ঘুরে গেলেন। খোঁজ নিলেন, কেমন চলছে SIR-এর কাজ। বিরোধীরা দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন কেন্দ্রে মৃত ভোটার নিয়ে নানা অভিযোগ তুলছিল। এ দিনের বৈঠকে তা নিয়ে তিনি খোঁজ নেন বলে জানান ফলতার BDO শানু বক্সী। তিনি বলেন, ‘কিছু এপিক নম্বর দেওয়া হয়েছিল। যে গুলো নিয়ে অভিযোগ হয়েছিল যে, ডেথ মার্কিং হয়েছে কি না। অভিযোগ ছিল, মৃত মানুষকে জীবিত বলা হচ্ছে। আমরা সার্চ করে দেখেছি, তা পোর্টালে ম্যাপিংও হয়েছে মৃত হিসেবেই।’
এ দিনের বৈঠকে ছিলেন BLO, SDO, ERO-রাও। চারটি রাজনৈতিক দলের BLA-রাও ছিলেন সেখানে। বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত বৈঠক থেকে বেরিয়ে বলেন, ‘SIR নিয়ে আলোচনা হলো। কারও কোনও সমস্যা আছে কি না শোনা হলো। বিশেষ কোনও অসুবিধার কথা কেউ বলেননি।’
সুব্রত গুপ্তর সংযোজন, ‘অভিযোগ অনেকই হতে পারে। সেগুলি পরীক্ষা করে দেখতে হবে। ডেটাবেসের পরে ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন হবে। তার পরে দেখা যাবে।’ প্রয়োজনে হিয়ারিংও হবে বলে জানান তিনি।
ফলতার BDO শানু বক্সী বলেন, ‘BLO-রা ছিলেন। সিস্টেমে যা সমস্যা হচ্ছে, সার্ভারে সমস্যা হচ্ছে, তা জানিয়েছেন। স্পেশাল অবজার্ভার স্যরেরও কিছু জিজ্ঞাসা ছিল। কী ভাবে কাজ হচ্ছে, তা জানতে চান। আমাদের কাজে সন্তুষ্ট। ECI বা CEO অফিসের মাধ্যমে হয়ত কিছু অভিযোগ জমা পড়েছিল। তবে অভিযোগ অনেকেই করবেন। তার সত্যতা যাচাই করা আমাদের কাজ।’
প্রসঙ্গত, এ দিনই বাংলা-সহ ১২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে SIR-এর সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। ফলে পিছিয়ে গিয়েছে খসড়া ভোটার তালিকা ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সময়সীমা। আগে ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা থাকলে, রবিবার নতুন নির্দেশে দেশের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তা ১৬ ডিসেম্বর করা হয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল ৭ ফেব্রুয়ারি, তা পিছিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি হলো এ বার। SIR-এর এনিউমারেশন ফর্মের ডেডলাইন ৪ ডিসেম্বর থেকে বাড়িয়ে ১১ ডিসেম্বর করা হয়েছে।