জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: SIR-র বাড়তি সময়! 'তাহলে স্বীকার করা হল যে, প্রক্রিয়াটা যে সময়সীমা বাধা হয়েছিল, সেটা ঠিক নয়', নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করল তৃণমূল। মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বললেন, 'তৃণমূল কংগ্রেস সঠিক কথা বলেছে, প্রকারান্তে স্বীকার করা হল তো নাকি'!
চন্দ্রিমা বলেন, 'জাতীয় নির্বাচন কমিশন রাতের অন্ধকারে এই সময়সীমা পালটে দিল। এটা কি হল তাহলে? চল্লিশের জনের উপরে যে মারা গেল, তার দায় কে নেবে? হাতে রক্ত কার লেগে? স্বীকার তো করে নেওয়া হল, সময়সীমা বাড়িয়ে যে দায়টা তাদেরই ছিল। তাহলে এর উত্তরটা কে দেবে, এতজন মানুষকে যে আমরা হারালাম। প্রান্তিক মানুষ আতঙ্কে শিকার হয়েছে। কখনও বাংলাদেশে চলে যাবে। বাংলাদেশের মানুষ। সীমান্তবর্তী এলাকা যেন খালি আমাদের বাংলায়। আর কোথাও নয়। আর কখনও রোহিঙ্গা! নানারকম বলা, মানুষকে আতঙ্কের মধ্যে ফেলা'।
চন্দ্রিমার দাবি, 'আমরা বারবার বসেছিলাম, এইরকম কর না। এইরকম করা যায় না। তখন কর্ণপাত করেনি। পরে কিন্তু বুঝেছে, ভুলটা স্বীকার করল'। বলেন, 'যখন বিরোধী দলনেতা-সহ বিরোধীরা বলছে, ১ কোটি বাদ যাবে। কখনও বলছে, আট দফায় এবার নির্বাচন হবে না। ২-৩ দফায় হবে। এরা জানছে কী করে বলুন তো। নির্বাচন কমিশন নাকি স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা। তাহলে কি এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন নয়, এরা আসলে ভারতীয় জনতা পার্টির নির্বাচন কমিশন। তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেই এসব হয় নাকি! আমরা প্রশ্ন করতে চাই, এর দায়কে কে নেবে। মৃত্যুর দায় কে নেবে? বিশৃঙ্খলার দায় কে নেবে? কী করতে চেয়েছিলেন আসলে। চুপচাপ ভাববেন বাপ! মানুষের কাছে চাইতে হবে মাফ, হাতজোড় করে। তৃণমূলের যা বলে, সঠিক কথা বলে'।
ঘটনাটি ঠিক কী? রাজ্যে SIR এখন শেষপর্যায়ে। ফর্ম জমা নেওয়া শেষ দিন ছিল ৪ ডিসেম্বর। তারপর ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের করার কথা ছিল। কিন্তু দিনক্ষণ সব বদলে গেল। ৪ ডিসেম্বর নয়, ফর্ম জমা নেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে করা হল ১১ ডিসেম্বর। আর ৯ ডিসেম্বরের বদলে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ১৬ ডিসেম্বর। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা? ১৪ ফেব্রুয়ারি। আগে ছিল ৭ ফেব্রুয়ারি।