তারাপীঠে পুজো দিতে আসা পুণ্যার্থীদের মারধরের অভিযোগ। মারধরের কারণে মাথা ফাটে এক পুণ্যার্থীর বলে অভিযোগ। পুণ্যার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় এক বিক্রেতার বচসা থেকেই গন্ডগোলের সূত্রপাত। গোটা ঘটনা নিয়ে তারাপীঠ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
বিহারের কাটিহার থেকে সপরিবারে পুজো দিতে এসেছিলেন আনন্দকুমার সাহা। মন্দিরে পুজো দিয়ে ফেরার সময়ে তারাপীঠের একটি দোকানে গিয়েছিলেন তাঁরা। আনন্দ তাঁর ছেলের জন্য ২০ টাকা মূল্যের একটি আংটি কিনতে যান। তাঁর দাবি, কেনাকাটার মাঝে দোকানদার তাঁদের বিরুদ্ধে আংটি চুরির অপবাদ দেন। এই নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
অভিযোগ, বচসার মাঝেই দোকানদার ও স্থানীয় কিছু লোকজন পুণ্যার্থীদের উপর চড়াও হয়। বেধড়ক মারধর শুরু করে। অভিযোগ, মারধর করা হয় মহিলা পুণ্যার্থীকেও। মাথা ফেটে গিয়ে রক্তাক্ত হন এক পুণ্যার্থী। এর পরেই বিষয়টি জানিয়ে তারাপীঠ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
আনন্দ বলেন, ‘আমার এক আত্মীয় দোকানে আংটি কিনছিল। কোনও একটি ২০ টাকার আংটি খুঁজে না পাওয়ায় আমাদের হঠাৎ চোর বলে অপবাদ দেওয়া হয়। আমরা জানাই, সিসিটিভি দেখে নিতে পারেন। কিন্তু আমরা চুরি করিনি। আমাদের সকলকেই মারধর করা হয়। মহিলাদের ছাড়া হয়নি। এর পরেই আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।’
তারাপীঠ থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ওই দোকানের দুই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।