অবশেষে মিটতে চলেছে জঞ্জালের সমস্যা, বারাসতে ডাম্পিং গ্রাউন্ড চালু হবে মার্চেই
বর্তমান | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বারাসতে যত্রতত্র পড়ে রয়েছে আবর্জনা। এর স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে পুরসভা। কদম্বগাছি পঞ্চায়েতে পুরসভার পক্ষ থেকে তৈরি হচ্ছে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্ট। কয়েকদিন আগেই এই প্লান্ট পরিদর্শন করেছেন সুডার আধিকারিক ও পুরসভার চেয়ারম্যান সুনীল মুখোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা। আগামী মার্চ মাসে প্লান্ট চালু হবে বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান। সেইমতো শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে জোরকদমে।
সদর শহর বারাসতে সব থেকে বড় সমস্যা হল জঞ্জাল। অনেকে আবার একারণে বারাসতকে ‘জঞ্জাল নগরী’ বলেন। বারেবারে চেষ্টা করেও পুরসভা এই সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। যশোর রোড বা টাকি রোডের পাশাপাশি বিভিন্ন অলিগলিতে পড়ে থাকে আবর্জনার স্তূপ। বিভিন্ন ওয়ার্ডে দেখা যায়, পুকুরের পাশেই পড়ে রয়েছে নোংরা। প্রাক্তন চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায়ের আমলে এর সমাধানের জন্য সুডার পক্ষ থেকে ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরির কাজ শুরু হয়। কিন্তু নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ গ্রহণের পর সুনীলবাবু ‘ক্লিন বারাসত, গ্রিন বারাসত’-এর ডাক দেন। সেই মতো রুটিন করে সপ্তাহে দু’-তিনদিন তিনি কদম্বগাছি পঞ্চায়েতের প্লান্টে গিয়ে কাজ তদারকি করেন। দ্রুত এই সমস্যা মেটাতে একাধিকবার বৈঠকও করেছেন রাজ্য সরকারের স্টেট আরবান ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির (সুডা) সঙ্গে। ডাম্পিং গ্রাউন্ডের কাজ প্রায় শেষ। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন ২২০ টন পচনশীল ও অপচনশীল আবর্জনা প্রসেসিং করা হবে। এর জন্য ১৭ কোটিরও বেশি টাকা খরচ হবে। সেই বর্জ্য থেকেই তৈরি হবে সার। তা আবার খোলা মার্কেটে বিক্রি করবে পুরসভা। এনিয়ে পুর চেয়ারম্যান সুনীল মুখোপাধ্যায় বলেন, এখন রংয়ের কাজ চলছে। কয়েকদিনের মধ্যেই ছাউনি লেগে যাবে। জানুয়ারি মাসে ট্রায়াল রানের পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য, মার্চ মাসে পুরোপুরি কাজ শুরু করার। তবে, নাগরিক পরিষেবার ক্ষেত্রে আমরা কোনও আপস করব না। নিজস্ব চিত্র