মুম্বই: মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের ছেলে পার্থ পাওয়ারের সংস্থাকে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা মূল্যের জমি মাত্র ৩০০ কোটি টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক চলছেই। জমি কেনার জন্য পার্থর সংস্থাকে মাত্র ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে বলেও অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে আমাডিয়া এন্টারপ্রাইজ নামে ওই সংস্থাকে স্ট্যাম্প ডিউটি বাবদ ২১ কোটি টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল মহারাষ্ট্র সরকার। একইসঙ্গে সাত মাসের জরিমানা বাবদ আরও ১ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা দিতে হবে। মহারাষ্ট্রের রেজিস্ট্রেশন ও স্ট্যাম্প দপ্তর তাদের নির্দেশে জানিয়েছে, সরকার এই জমি কেনাবেচা নিয়ে তদন্ত চালিয়েছে। তাতেই স্ট্যাম্প ডিউটি নিয়ে অনিয়ম ধরা পড়েছে। টাকা মেটানোর জন্য পার্থর সংস্থাকে ৬০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। যত দেরি হবে, জরিমানার পরিমাণও বাড়বে। যদিও রাজনৈতিক মহলের মতে, বিরোধীরা যেভাবে অজিতের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে, তাতে তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করল সরকার।
পার্থর বিরুদ্ধে অভিযোগ, মন্ত্রী-পুত্র হওয়ার সুবাদেই তিনি কম টাকায় জমি পেয়েছেন। এছাড়া ওই জমিটি তপশিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত। সাধারণ পদ্ধতিতে তা বিক্রি বা কেনা যায় না। তা সত্ত্বেও পার্থর সংস্থা কীভাবে ওই জমি পেল, তা নিয়েও প্রশ্ন বিরোধীদের। রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, মহারাষ্ট্র সরকারই জমি চুরি করেছে। তবে বিতর্কের মুখে অজিত দাবি করেন, ওই জমিটি যে সরকারি তা তাঁর ছেলে জানতেন না। তাঁর দপ্তরও বিষয়টি জানত না বলেও দাবি অজিতের।