• জনগণনা: ১১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার
    বর্তমান | ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • নয়াদিল্লি (পিটিআই): ‘ভারতের জনগণনা, ২০২৭’-এর জন্য ১১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এদিন দিল্লিতে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এই প্রথম জনগণনার কাজে ডিজিটাল ব্যবস্থা সংযুক্ত হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে জনগণনার প্রস্তাবে এদিন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মূলত দু’দফায় হবে এই কাজ। প্রথম দফায় ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাউস লিস্টিং ও হাউসিং সেন্সাসের কাজ। দ্বিতীয় দফায় ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জনসংখ্যার গণনা বা পপুলেশন ইনিউমারেশন (পিই)-এর কাজ শুরু হবে। তবে লাদাখ, জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের তুষার আবৃত এলাকাগুলিতে জনসংখ্যা গণনা হবে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে। বৈষ্ণব আরও জানান, জনগণনার দ্বিতীয় দফায় (পিই) বৈদ্যুতিনভাবে জাতি সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। জনগণনার বিশাল এই কর্মকাণ্ডে মাঠে নামবেন প্রায় ৩০ লক্ষ কর্মী। মসৃণভাবে কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহের জন্য মোবাইল অ্যাপ ও নজরদারি জন্য সেন্ট্রাল পোর্টাল ব্যবহার করা হবে। 

    এদিকে, এবার অভিন্ন উচ্চশিক্ষা কমিশন গড়ার লক্ষ্যে একটি বিলে শুক্রবার অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। নতুন বিল অনুযায়ী, সাধারণ ও কারিগরি ক্ষেত্র সহ বিভিন্ন পড়াশোনায় আর কোনও পৃথক উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা থাকবে না! নয়া বিল আইনে পরিণত হলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), সর্বভারতীয় কারিগরি শিক্ষা পর্যদ (এনআইসিটিই) এবং জাতীয় শিক্ষক শিক্ষণ পর্যদের (এনসিটিই) পরিবর্তে জাতীয় স্তরে উচ্চশিক্ষার একটিমাত্র সংস্থা তৈরি হবে। এবিষয়ে এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিক্ষণ’ গড়ার লক্ষ্যে আনা এই বিলে এদিন অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। তবে প্রস্তাবিত এই নয়া অভিন্ন কমিশনের আওতার বাইরেই থাকবে মেডিকেল ও আইন কলেজগুলি।  বিমা ক্ষেত্র প্রসারিত করতে ১০০ শতাংশ প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগেও সায় দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সংসদের চলতি শীতকালীন অধিবেশনে সোমবার বিলটি পেশ করা হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)