সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: এসআইআর পর্বে ‘বাংলাদেশি’ নিয়ে হইচইয়ের মধ্যেই সামনে এল অভিনব ঘটনা! এমন এক দম্পতির হদিশ পাওয়া গেল, যেখানে স্বামী বাংলাদেশি, স্ত্রী মায়ানমারের। দম্পতি বর্তমানে কাকদ্বীপের গণেশপুরের বাসিন্দা।
কীভাবে জানাজানি হল বিষয়টি? স্থানীয় সূত্রে খবর, গণেশপুরের গৃহবধূ কৃষ্ণা দাস বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। প্রসূতি মায়েদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে রয়েছে স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থা। স্থানীয় উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মেলে চিকিৎসা। কিন্তু কৃষ্ণাদেবীর ওই কার্ড ছিল না। তাই সাব সেন্টারে নথিপত্র যাচাই করতে গিয়েই এই তথ্য সামনে আসে। জানা যায়, তিনি দু’মাস আগে স্বামীর সঙ্গে মায়ানমার থেকে কাকদ্বীপে এসেছেন। মায়ানমারের ভোটার কার্ডও রয়েছে। তাঁর আসল নাম আই থান্দার। এখন তিনি কৃষ্ণা দাস হয়েছেন। তাঁর স্বামীর নাম রাম দাস। তিনি বাংলাদেশে থাকতেন। কিন্তু তাঁর বাবা রাজু দাস ও মা সুমতি দাস প্রায় ১৫ বছর আগে সীমান্ত পেরিয়ে কাকদ্বীপে চলে আসেন।
বর্তমান তাঁরা গণেশপুরে ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন। তাঁদের ভারতের ভোটার ও আধার কার্ড রয়েছে। তাঁদের ছেলে রাম বাংলাদেশে ব্যবসা করতেন। মায়ানমারে নিয়মিত যাতায়াত ছিল। সেই সূত্রেই সেখানকার বাসিন্দা আই থান্দারের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। এরপর স্বামী-স্ত্রী মায়ানমার থেকে সীমান্ত পেরিয়ে মিজোরামে চলে আসেন। সেখান থেকে দু’মাস আগে রাম স্ত্রীকে নিয়ে কাকদ্বীপে বাবা-মায়ের কছে আসেন। বর্তমান তাঁরা এখানেই বসবাস করলেও কারও ভারতের ভোটার কার্ড বা আধার নেই। বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেছেন রামের মা সুমতি দাস এবং কৃষ্ণাদেবী। কাকদ্বীপের মহকুমা শাসক প্রীতম সাহা বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। আইনত ব্যবস্থা হবে।’ নিজস্ব চিত্র