শনিবার সন্ধ্যা থেকেই নোটিস পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৩২ লক্ষ ‘আনম্যাপড’ ভোটারের ঠিকানায় এই নোটিস পাঠানো হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম সংক্রান্ত বিভ্রান্তি দূর করতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন কমিশনের আধিকারিকরা। মাইক্রো অবজারভারদের জন্য ২৪ ডিসেম্বর বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। কলকাতার নজরুল মঞ্চে দুপুর দু’টো থেকে সাড়ে চারটে পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ চলবে। একই দিনে সকাল ও দুপুর—দু’টি সেশনে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
বর্তমানে নোটিস ইংরেজি ভাষায় পাঠানো হলেও, তা বাংলা ভাষায় দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে।
শুনানি প্রক্রিয়া শুরু হবে ২৭ ডিসেম্বর। এ বিষয়ে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের সঙ্গে সিইও-র আলোচনা হয়েছে এবং সেখানে ইতিমধ্যেই নোটিস পৌঁছে গিয়েছে। ফলে ওই জেলায় ২৭ তারিখ থেকেই শুনানি শুরু হবে।