অয়ন ঘোষাল: নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙল ২০২৫ সালের শীত। মঙ্গলবার রাতে কলকাতার পারদ নামল ১১ ডিগ্রিতে। এই মরশুম তো বটেই, এই বছরের শীতলতম দিন হয়ে রইল বছরের শেষ দিনটি। সান্দকফু মাইনাস ৫ ডিগ্রি। দার্জিলিং পার্বত্য ৩ ডিগ্রি। আলিপুরদুয়ার ৮ ডিগ্রি। পুরুলিয়া ৮.১ ডিগ্রি। বাঁকুড়া ৭.৯ ডিগ্রি। থরথর করে কাঁপছে গোটা বাংলা।
উত্তর পশ্চিম ভারতে প্রবেশ করল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। হিন্দুকুশ পর্বতমালা থেকে আগত হিম শীতল হাওয়ার স্রোত অর্থাৎ জেড স্ট্রিম কিছুটা বাধাপ্রাপ্ত হবে আগামী কয়েকটা দিন। অন্ততঃ শনিবার রাত পর্যন্ত সামান্য হলেও পারদ উত্থানের পূর্বাভাস মৌসম ভবনের।
রবিবার রাত থেকে নিম্নমুখী হবে পারদ। সোমবার ৫ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী সোমবার ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র নতুন করে তৈরি হতে পারে শৈত্য বলয়। যার পোশাকি নাম পাহাড়ি। এর প্রভাবে রাজ্যের উত্তর এবং পশ্চিমের অন্ততঃ ৬ জেলা পড়তে পারে শৈত্য প্রবাহের কবলে।
দিনের তাপমাত্রাও লক্ষ্যনীয় ভাবে কম থাকায় আরো জমাট বেঁধেছে শীতের কামড়। কলকাতার সোমবার এবং মঙ্গলবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় যথাক্রমে সাড়ে ৭ ডিগ্রি এবং ৬ ডিগ্রি নিচে ছিল। আজ অবশ্য সেই সম্ভবনা কম। আজ দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের ঘরে অর্থাৎ ১৩ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
পশ্চিমী ঝঞ্ঝার পরোক্ষ প্রভাবে আজ সন্ধ্যার পর থেকে রাজ্যের কিছু জেলায় অতি ঘন কুয়াশার দাপট। এর মধ্যে রয়েছে দার্জিলিং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা।
পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে শীতল এবং পূবালী হাওয়ার সংঘাতে আলিপুরদুয়ার জেলায় আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস।