• ২০২৫-এ রেকর্ড এনকাউন্টার উত্তরপ্রদেশে, পুলিশের গুলিতে নিহত ৪৮ অভিযুক্ত, ২০১৭ থেকে মোট কত মৃত্যু?
    এই সময় | ০১ জানুয়ারি ২০২৬
  • অপরাধ-জনরোষ-গ্রেপ্তার-এনকাউন্টার। যোগী আদিত্যনাথের জমানায় ‘বিচারে’র এই ধারা শুরু হয়েছে উত্তরপ্রদেশ। বিরোধীদের অভিযোগ এমনই। অপরাধ করলে সোজা যমরাজের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যোগী নিজেও। তার পর থেকে গত ৮ বছরে লাগাতার এনকাউন্টার হয়েছে। তবে এনকাউন্টারে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ২০২৫-এ। নিহত হয়েছেন ৪৮ জন।

    বছরের শেষ দিনে রাজ্য পুলিশের সদর দপ্তরে সাংবাদিক সম্মেলনে ৪৮ জন অভিযুক্তের মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করেন উত্তরপ্রদেশের ডিজি রাজীব কৃষ্ণ। ২০১৭ সালের ২০ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন যোগী আদিত্যনাথ। পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী, তার পর থেকে ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ২৬৬ জন অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করে মেরেছে পুলিশ।

    রাজীব কৃষ্ণর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মোট ২,৭৩৯টি অভিযান চালায় পুলিশ। ৩,১৫৩ জন অভিযুক্ত আহত হন এবং ৪৮ জনের মৃত্যু হয়। এনকাউন্টারে একজন পুলিশ কর্মীরও মৃত্যু হয়েছে। ২০১৮ সালে ৪১ জন, ২০১৯ সালে ৩৪ জন, ২০২০ ও ২০২১ সালে ২৬ জন অভিযুক্ত এনকাউন্টারে নিহত হন। ২০২২ সালে এই সংখ্যা নেমে আসে ১৩-য়। ২০২৩-এ ফের ২৬ জন এবং ২০২৪ সালে ২৫ জন নিহত হন। কিন্তু সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে ২০২৫-এ।

    ২০১৭ থেকে ২০২৫-এর ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ গত ৮ বছরে মোট ১৬,২৮৪টি অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এতে ১০,৯৯০ জন অভিযুক্ত আহত এবং ২৬৬ জন নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি অভিযানে গিয়ে জখম হন ১,৭৮৩ জন পুলিশ কর্মীও। মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের।

    তবে উত্তরপ্রদেশের ডিজি জানিয়েছেন, আত্মরক্ষার স্বার্থেই এনকাউন্টার করেছে পুলিশ। যা হয়েছে পুরোটাই আইন মোতাবেক। ডিজি রাজীব কৃষ্ণ বলেন, ‘সংগঠিত অপরাধ এবং বারবার অপরাধে জড়িয়ে পড়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানই এর মূল উদ্দেশ্য।’

  • Link to this news (এই সময়)