আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলার আকর্ষণ দীঘার জগন্নাথ ও মহাকাল মন্দির
বর্তমান | ০১ জানুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ২০২৩ সালে গঙ্গাসাগর মেলায় পুণ্যার্থীদের আকর্ষণ হিসেবে ‘বাংলার মন্দির’ নামক একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। সেখানে তুলে ধরা হয় রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহাসিক মন্দিরের প্রতিরূপ। জায়গা পেয়েছিল কালীঘাট, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর প্রভৃতি মন্দির। এবার গঙ্গাসাগর মেলায় এক টুকরো দীঘার জগন্নাথ মন্দিরও দেখা যাবে। থাকবে মহাকাল মন্দিরের প্রতিকৃতিও। গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি নিয়ে বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠকে জেলাশাসক অরবিন্দকুমার মিনা এই খবর জানিয়েছেন। এদিকে, এবার মেলায় পুণ্যার্থীদের সুরক্ষার জন্য বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।
এবছর কুম্ভমেলা নেই। তাই দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিপুল সংখ্যক তীর্থযাত্রী গঙ্গাসাগরে আসবেন। এমনটাই ধরে নিয়েছেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা। এই পরিস্থিতিতে পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রয়াগরাজ কুম্ভমেলায় পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে জেলা প্রশাসন গঙ্গাসাগর মেলায় ভিড় সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণের জন্য অত্যাধুনিক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেছে। গতবারের তুলনায় বাড়ানো হচ্ছে পুলিশ কর্মীর সংখ্যাও। মেলায় নজরদারির জন্য ১,২০০ সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ২০টি ড্রোন থাকবে। এদিকে, ২০২৬ সালের গঙ্গাসাগর মেলাকে দেশের সামনে ‘মডেল গ্রিন মেলা’ হিসেবে তুলে ধরতে কোমর বেঁধে নামল রাজ্য সরকার। প্লাস্টিকমুক্ত মেলা প্রাঙ্গণ এবং স্বচ্ছ পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বছরের শেষদিনে এক অভিনব সাফাই অভিযানে নামল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন। পুণ্যার্থীদের সচেতন করতে সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরাকে এদিন ঝাড়ু হাতে ময়দানে নামতে দেখা গেল। বুধবার সাগরদ্বীপে পরিবেশ দপ্তর ও গঙ্গাসাগর-বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।