রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: সল্টলেকে বিধায়ক-সাংসদদের নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। আর বুধবার সেই বৈঠকে নেই দলের দুই মতুয়া প্রতিনিধি বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর এবং তাঁর ভাই বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর। ছিলেন না আরেক বিধায়ক অসীম সরকারও। আবার আমন্ত্রণ সত্ত্বেও বৈঠকে এলেন না রাজবংশী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজও।
রাজ্যসভা সাংসদ নগেন্দ্র রায় ওরফে অনন্ত মহারাজের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্কের ফাটল আগেই প্রকাশ পেয়েছিল। এবার সেটা আরও বাড়ল। কিন্তু এসআইআর আবহে মতুয়ারা শঙ্কিত তাদের ভোটাধিকার নিয়ে। বিজেপির আশ্বাসেও হতাশ মতুয়ারা ক্ষুদ্ধ পদ্মশিবিরের উপর। সেই পরিস্থিতিতে শাহর এদিনের বৈঠকে শান্তনু ও সুব্রত ঠাকুর এবং মতুয়া গড়ের আরেক প্রতিনিধি বিধায়ক অসীম সরকারের অনুপস্থিতি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য বিজেপির অন্দরে। দলের একাংশের মতে, এদিন শাহর বৈঠকে দলের এই চার জনপ্রতিনিধির অনুপস্থিতি বিজেপির কাছে মতুয়া ও রাজবংশী কাঁটা।
তাই বৈঠকে মতুয়া গড়ের তিন জনপ্রতিনিধি উপস্থিত না থেকে বিজেপির উপর চাপ বাড়াতে চাইছে বলেই মনে করছে দলের একাংশ। শাহর বৈঠকে মতুয়াগড়ের নেতাদের অনুপস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “মতুয়াদের নেতারা কি আর মুখ দেখাতে যাবেন? নিজেরা এখন বিপদে পড়েছেন। আজ কলকাতায় মুখরক্ষায় আসেননি শান্তনু, সুব্রত, অসীমবাবুরা। এখানে এলে এলাকার লোকেদের কী বলতেন? আবার হোটেলে গিয়ে মিটিং করে এলাম, খেয়ে এলাম।” এদিকে, শাহর বৈঠকে আসার জন্য অনন্ত মহারাজকে ডাকা হলেও তাকে জানানো হয়নি স্থান। কাজেই সেই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য তৈরি হয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত যেতে পারেননি।