• হাই কোর্টের নির্দেশে বাতিল ওবিসি সার্টিফিকেট এসআইআরে গ্রাহ্য নয়, বড় নির্দেশ কমিশনের
    প্রতিদিন | ০১ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এসআইআরের কাজে হাই কোর্টের নির্দেশে বাতিল হওয়া কোনও ওবিসি সার্টিফিকেট ব্যবহার করা যাবে না। রাজ্যজুড়ে চলছে এসআইআরের শুনানিপর্ব। এর মধ্যেই ওবিসি সার্টিফিকেট নিয়ে বড় নির্দেশ কমিশনের। সম্প্রতি এই সংক্রান্ত একটি মামলায় এসআইআরের নথি হিসাবে ওবিসি শংসাপত্র গ্রহণযোগ্যতা পাবে কি না, জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। এরপরেই এহেন নির্দেশ কমিশনের। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা সমস্ত জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) পাঠানো হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, যেসব ওবিসি সার্টিফিকেট ২০১০ সালের পর থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল এবং হাই কোর্টের নির্দেশে যেগুলি বাতিল করা হয়েছে, সেগুলি এসআইআরের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। এক্ষেত্রে নির্বাচনী আধিকারিকদের বিশেষ নজর রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।

    বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১০ সালের মার্চ মাসের পর প্রদত্ত ওবিসি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। কিন্তু পড়াশোনা ও চাকরির সুযোগ-সুবিধা ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর নথি হিসাবে ওবিসি সংশাপত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। সম্প্রতি এই অভিযোগে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাই কোর্টে। এসআইআরের নথি থেকে ওবিসি শংসাপত্র বাদ দেওয়ারও আবেদন করা হয় হাই কোর্টে। সেই মামলার শুনানিতে এসআইআরের নথি হিসাবে ওবিসি শংসাপত্র গ্রহণযোগ্যতা পাবে কি না, জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।

    বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের নির্দেশ ছিল, আগামী ৭ দিনের মধ্যে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে ২০১০ সালের মার্চ মাসের পর প্রদত্ত ওবিসি শংসাপত্র গ্রহণযোগ্য কি না তার সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন। এরপরেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিল, হাই কোর্টের নির্দেশে বাতিল হওয়া কোনও ওবিসি সার্টিফিকেট ব্যবহার করা যাবে না।
  • Link to this news (প্রতিদিন)