‘রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সংগ্রাম চলবে’, তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে লড়াকু বার্তা মমতার
প্রতিদিন | ০১ জানুয়ারি ২০২৬
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লড়াই আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেন সমার্থক। সাধারণের অধিকার, আর অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেই আজ সাধারণ রাজনৈতিক কর্মী থেকে দেশের প্রথম সারির নেতা হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তৃণমূল নেত্রী। ধমকে-চমকে কোনও লাভ হবে না, সে হুঁশিয়ারি বারবারই দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে দলীয় নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সেই একইরকম লড়াকু বার্তা দলনেত্রীর। রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই সংগ্রাম আজীবন চলবে বলেই X হ্যান্ডেলের পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
বৃহস্পতিবারের X হ্যান্ডেলের পোস্টের শুরুতেই দলের প্রতিটি কর্মীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। পুরনো দিনের কথাও উল্লেখ করেন আবেগপ্রবণ মমতা। লেখেন, “মা-মাটি-মানুষের সেবার লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালের আজকের দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের পথচলা শুরু হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক যাত্রাপথের মূল দিশারী দেশমাতৃকার সম্মান, বাংলার উন্নয়ন এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা। আজও আমাদের দলের প্রতিটি কর্মী-সমর্থক এই লক্ষ্যে অবিচল এবং অঙ্গীকারবদ্ধ। তাঁদের নিরলস প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগকে আমি বিনম্র চিত্তে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাই।”
অপশক্তি, রক্তচক্ষুকে উৎখাতের ডাক দিয়ে লড়াকু মমতার বার্তা, “আপনাদের অকুন্ঠ সমর্থনকে পাথেয় করেই বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের প্রত্যেকটি মানুষের জন্য লড়াইয়ে অবিচল আমরা। কোনও রকম অপশক্তির কাছে মাথা নত নয়, সকল রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই সাধারণ মানুষের জন্য আমাদের সংগ্রাম আজীবন চলবে।”
১৯৯৮ সালে মমতা যে তৃণমূলের বীজ বপন করেছিলেন, তা আজ মহীরুহ। রাজ্যের বাইরেও উল্কার গতিতে উত্থান হচ্ছে ঘাসফুল শিবিরের। উন্নয়নকে হাতিয়ার করে এগিয়ে চলেছে তৃণমূল। এই বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তাই এদিনের প্রতিষ্ঠা দিবসে দলীয় নেতা-কর্মীদের আরও উজ্জীবিত করে তোলাই লক্ষ্য নেতৃত্বের। আরও এগিয়ে যাওয়ার সংকল্প নিয়েই আজ নানা জায়গায় এই বিশেষ দিন উদযাপন করেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। শহরতলি থেকে জেলা সর্বত্রই এদিন দলের প্রতিষ্ঠা দিবস পালনে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতি ব্লক, প্রতি ওয়ার্ডে আলাদা আলাদাভাবে দলীয় কর্মীরা তা পালন করেন।