• মাংস নিয়ে 'মারামারি'! মাথা ফাটল অ্যাম্বুল্যান্স চালকের, রক্ত ঝরল পিকনিকেও...
    ২৪ ঘন্টা | ০২ জানুয়ারি ২০২৬
  • প্রদ্যুত্‍ দাস: মাংস নিয়ে মারামারি! নতুন বছরে রক্ত ঝরল পিকনিকেও! মাথা ফাটল অ্যাম্বুল্যান্স চালকের। আহত আরও ৪।  চাঞ্চল্য জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে। 

    বছর ঘুরে গেল। বর্ষবরণের আনন্দে দিনভর চলল হুইহুল্লোড়, পিকনিক। আজ, বৃহস্পতিবার সকালে জলপাইগুড়ির সোনাখালি জঙ্গলে পিকনিক  করতে যান ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালের ১০-১২ জন অ্যাম্বুল্যান্স চালক। এরপর খাসি মাংস নিয়ে নাকি তাঁদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়! অভিযোগ,  বাকিদের হুমকি দেয় দীপু রায় ও সত্যজিৎ রায় নামে দু'জন। এমনকী, ফেরার পথে গাড়ি থামিয়ে পাথর দিয়ে গোবিন্দ বর্মন নামে একজনের মাথায় ফাটিয়ে দেওয়া হয়। হামলায় আহত হন আরও ৪ জন।

    গুরুতর আহত অবস্থায় গোবিন্দ এখন ভর্তি ধুপগুড়ি মহাকুমা হাসপাতাল। তাঁর মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই পড়েছে বলে খবর। বিচার চেয়ে পূলিসের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁর পরিবারের লোকেরা। পুলিস ব্যবস্থা না নিলে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অ্যাম্বুল্য়ান্স চালকরা। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে ধূপগুড়ি থানার আইসি।

    এদিকে বর্ষবরণে সকালে দুর্ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বকখালিতেও। আজ, বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সংগ্রামপুর থেকে গাড়ি ভাড়া করে বকখালির উদ্দেশে রওনা দেন একদল পর্যটক। কিন্তু মাঝপথে হঠাত্‍-ই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেই গাড়িটি  উল্টে যায় রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে। আহত হন ২৬ জন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে  যান স্থানীয় বাসিন্দারাই। এরপর দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিস।

    তুন বছরের প্রথম দিনে বর্ধমানে জাতীয় সড়কেও দুর্ঘটনা। গাড়ির সঙ্গে গ্যাস ট্যাঙ্কারের সংঘর্ষে প্রাণ গেল এক পরিবারের ৩ জনে। মৃতেরা সম্পর্কে বাবা, মা ও ছেলে।  পুলিস সূত্রে খবর, মৃতেরা হলেন শেখ মহম্মদ মুর্শেদ, তাঁর স্ত্রী  রেজিনা খাতুন ও ছেলে শেখ শাহনাওয়াজ। কর্মসূত্রে মুম্বইয়ে থাকতেন  শাহনাওয়াজ। সেখানকার একটি বেসরকারি সংস্থার চাকরি করতেন। এদিন দুর্গাপুর থেকে গাড়ি করে ছেলেকে দমদম এয়ারপোর্টে ছাড়তে যাচ্ছিলেন  মুর্শেদ ও রেজিনা। 

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে বেশ দ্রুত গতিতে যাচ্ছিল গাড়িটি। বামচাঁদাইপুরে এসে আর নিয়ন্ত্রণ হারান চালক। জাতীয় সড়কে একটি গ্যাস ট্যাংকারে সজোরে ধাক্কা মারে গাড়িটি। দুর্ঘটনার পর ট্যাংকারের পিছনে আটকে বেশ খানিক এগিয়েও যায় গাড়িটি।  শেষে ট্যাংকারটিকে থামান  স্থানীয় বাসিন্দারা। গাড়ি থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বাবা, মা ও ছেলেকে। গুরুতর জখম গাড়ির চালক।

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)