• সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির পাশের ‘ডোবা’র হাল ফেরানোর উদ্যোগ
    বর্তমান | ০২ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গোটা পুকুর ভর্তি কচুরিপানায়। জলের দেখা নেই। আগাছার জঙ্গলে ভরেছে চারিদিক। গল্ফগ্রিনে প্রবাদপ্রতিম শিল্পী প্রয়াত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি সংলগ্ন একটি জলাশয় রয়েছে, যেটি বহুদিন ধরে এমন অবস্থায়। এলাকাবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে অবশেষে সেই ‘পচা ডোবা’ সংস্কারের কাজ শুরু হতে চলেছে। বরাদ্দ হয়েছে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা। সম্প্রতি জায়গাটি পরিদর্শন করে মাপজোক করেছেন কলকাতা পুরসভার অফিসাররা। চলতি মাসেই সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ার কথা।

    গল্ফগ্রিনে পি জি এইচ শাহ রোডে অবস্থিত এই জলাশয়। পাশেই সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি। কিন্তু, এত বড় জলাশয়টি কার্যত কচুরিপানা ও আগাছার জঙ্গলে পরিণত। সেই সঙ্গে আবর্জনার স্তূপ। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি, হাল ফিরুক পুকুরটির। তাই অবশেষে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে জলাশয়টির সংস্কারের জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। কাজ শুরু হবে শীঘ্রই। ঠিক হয়েছে, সমস্ত কচুরিপানা পরিষ্কার করা হবে। শালবল্লা দিয়ে জলাশয়ের ধার বাঁধানোও হবে। পুকুরের পাড় বরাবর চারিপাশে তৈরি হবে ওয়াকওয়ে। বসবে সুদৃশ্য বাতিস্তম্ভ, রেলিং। ফের জল টলমল করবে পুকুরটিতে।

    স্থানীয় ৯৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তপন দাশগুপ্ত বলেন, এলাকার বাসিন্দারা অনেকদিন ধরেই অনুরোধ জানাচ্ছেন। এই জলাশয়টির সংস্কার করার জন্য আমি সংশ্লিষ্টদের সবার সঙ্গে আলোচনা  করি। দীর্ঘ সময় ধরে চেষ্টা করে গিয়েছি। কিন্তু জটিলতা কাটছিল না। অবশেয়ে সেসব কাটিয়ে এই জলাশয়টি সংস্কার করে সৌন্দর্য বৃদ্ধির কাজ শুরু হতে চলেছে। সাংসদ সায়নী ঘোষও ওই জলাশয়টির ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে থাকেন। উনি সাংসদ এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে ১৬ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসও উদ্যোগ নিয়েছিলেন যাতে দ্রুত এটার সংস্কার করা যায়।স্থানীয় বাসিন্দা বৈকুণ্ঠ চক্রবর্তী বলেন, এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পুরণ হবে। এমন অভিজাত জায়গা। সেখানে এমন একটা ‘পচা ডোবা’ হয়ে পুকুরটি পড়েছিল। সেটি সংস্কার হলে এলাকারও সৌন্দর্য বৃদ্ধি হবে। পরিবেশও ভালো হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)