• অশোকের ইস্তফা: নতুন চেয়ারম্যান নিয়ে গুঞ্জন
    এই সময় | ০২ জানুয়ারি ২০২৬
  • এই সময়, বালুরঘাট: বছরের শেষ দিনে বালুরঘাট পুরসভার চেয়াম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন অশোককুমার মিত্র। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে দলেরই ১৪ জন কাউন্সিলার অনাস্থা এনেছিলেন। নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক না-হলেও এই পদের জন্য একাধিক দাবিদারের নাম ভেসে আসছে। তৃণমূল সূত্রের খবর, অনাস্থায় সই করা ১৪ জন কাউন্সিলারেরই নজর রয়েছে চেয়ারের দিকে।

    যদিও দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কোপে পড়ার ভয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলছেন না। এর পাশাপাশি মহকুমা শাসকের কাছে অশোক পদত্যাগ করলেও তা গৃহীত হওয়া নিয়ে আইনি জটিলতা রয়েছে। পুর আইন অনুসারে বোর্ড অফ কাউন্সিল মিটিংয়েই চেয়ারম্যানের পদত্যাগের বিষয়টি ফয়সালা হয়। যদিও বুধবার চেয়ারম্যানের পদত্যাগপত্র পেয়ে বালুরঘাট সদর মহকুমা শাসক পুরসভার এগজ়িকিউটিভ অফিসারকে বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    পুর আইনে বলা হয়েছে, কোনও চেয়ারম্যান যদি মহকুমা শাসককের কাছে ইস্তফা দেন, তা হলে ১৫ দিনের মধ্যে তাঁকে আবার বোর্ড অফ কাউন্সিলের বৈঠক ডাকতে হবে। সেখানে ইস্তফা দিতে হবে। সেখানে গৃহীত হলেই তা কার্যকর হবে। মজার বিষয় হলো, আগে পদত্যাগ করলেও বোর্ড অফ কাউন্সিলের বৈঠকে সংখ্যাগরিষ্ঠ কাউন্সিলার চেয়ারম্যানের পাশে থাকলে অনাস্থা বাতিল হয়ে যায়। অতীতে বহু পুরসভায় এমন উদাহরণ রয়েছে। প্রথম দফায় অনাস্থা এলেও পরবর্তীতে কাউন্সিলার ম্যানেজ করে টিকে গিয়েছেন চেয়ারম্যান।

    বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোককুমার মিত্র যে ১৫ দিন সময় পাচ্ছেন, তার মধ্যে কি বিক্ষুব্ধদের নিজের দিকে টেনে আনার চেষ্টা করবেন, এই প্রশ্নও এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বালুরঘাটে। যদিও পদত্যাগী চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, দলীয় নির্দেশ মেনে পদত্যাগ করেছি। এখন দলের নির্দেশ মেনে সৈনিক হিসেবে কাজ করে যাব। এ বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, 'দলের নির্দেশে চেয়াম্যান পদ থেকে অশোক মিত্র ইস্তফা দিয়েছেন। কে চেয়ারম্যান হবেন, তা দলই ঠিক করবে। দলের নির্দেশই চূড়ান্ত।'

  • Link to this news (এই সময়)