• মেলায় নাচানাচি থেকে হাতাহাতি! পানিহাটিতে ভয়ংকর গণধোলাইয়ে মৃত্যু... হাহাকার...
    ২৪ ঘন্টা | ০২ জানুয়ারি ২০২৬
  • বরুণ সেনগুপ্ত: পানিহাটি মেলায় নাচকে ঘিরে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। মেলা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর, ৩দিন পর হাসপাতালে মৃত্যু আক্রান্ত যুবকের। এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করেছে খরদা থানার পুলিস। চার অভিযুক্ত হল- দীপু অধিকারী, দেবজ্যোতি দাস, শিবম দাস ও আকাশ নায়েক। এদের প্রত্যেকের বয়স ১৮ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। শুক্রবার তাদের ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে।

    গত ২৮ ডিসেম্বর পানিহাটি উৎসব চলাকালীন নাচ করাকে কেন্দ্র করে ২ যুবক গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা হয়। মেলা থেকে তুলে নিয়ে বাইরে গিয়ে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক নৃশংসভাবে মারধর করে বেশ কিছু যুবক। মারধরের ঘটনার পরে প্রথমে আক্রান্ত যুবক তন্ময় সরকারকে ভর্তি করা হয় পানিহাটি হাসপাতালে। সেখান থেকে তাঁকে আরজি কর হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়। ৩ দিন পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তন্ময়ের মৃত্যু হয়।

    খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে খরদহ থানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। মূল অভিযুক্তের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে খড়দহ থানার পুলিস। দোষীদের শাস্তির দাবিতে সোচ্চার আক্রান্ত যুবকের পরিবারের লোকজন।

    উল্লেখ্য, পিকনিকে মাংস নিয়ে ঝামেলা। মাথা ফাটল অ্যাম্বুলেন্স চালকের, আহতও আরও চারজন। ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়িতে।

    বৃহস্পতিবার ইংরেজি ২০২৬ ১ জানুয়ারিতে পিকনিক করতে গিয়ে মাংস নিয়ে জেরবার অবস্থা। মাংস নিয়ে কথা কাটাকাটির পর শুরু হয় হাতাহাতি ঘটনায় মাথা ফেটে যায় একজনের। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ধুপগুড়িতে। জানা গিয়েছে ধুপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্স চালকরা ১০ থেকে ১২ জন মিলে সোনাখালী জঙ্গলে বনভোজন করতে গিয়েছিল। সেখানে গিয়ে খাসির মাংস নিয়ে বাকবিতন্ডা হয়। তারপরেই হুমকি দেয় দিপু রায় ও সত্যজিৎ রায় বলে অভিযোগ। সেই হুমকি মতো রাস্তায় আটক করে এবং গোবিন্দ বর্মন কে পাথর দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। 

    তারপরেই গুরুতর আহত ব্যক্তি গোবিন্দ বর্মনকে উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।তার মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই পড়েছে বলে জানা গেছে। এরপরই বিচার চেয়ে ধুপগুড়ি থানার দ্বারস্থ হন পরিবার। এম্বুলেন্স চালকরা হুমকির সুরে বলেন যদি ধুপগুড়ি থানা কোনরূপ সুব্যবস্থা না নেয়। তাহলে অ্যাম্বুল্যান্স চালকরা অ্যাম্বুলেন্স স্টাইকের হুঁশিয়ারি দেন। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা ধূপগুড়ি এলাকা জুড়ে। ধুপগুড়ি থানার আইসি জানান পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন আইসি।

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)