• বছরের শুরুতে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কত জানেন?
    আজকাল | ০২ জানুয়ারি ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৪ সালের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর এবং নতুন বছরের শুরুতে শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ছিল কলকাতা পুলিশের। বছরের প্রথম দিনেই কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হল ৭৫ জন।

    তবে ট্রাফিক পুলিশ একাধিক কারণে আটক করেছে বহু সাধারণ নাগরিককে। তার মধ্যে এক বাইকে তিনজন, হেলমেট ছাড়া গাড়ি চালানো, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর মত কারণ রয়েছে।

    কলকাতা পুলিশের তরফে এক বিবৃতি মারফত জানানো হয়েছে, এক বাইকে দু’জনের বেশি যাত্রী ওঠানোর ক্ষেত্রে আটক করা হয়েছে ৮৮ জনকে। হেলমেট ছাড়া গাড়ি চালিয়ে ধরা পড়েছেন ২১২, ব়্যাশ ড্রাইভিংয়ের ক্ষেত্রে ১০৯ জন। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ধরা পড়েছেন ৯৫ জন।

    এছাড়াও নানা কারণে ১৫৭ জনকে আটক করে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। মোট ৬৬১ জনকে আটক করে ফাইন নেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, ইংরেজি বর্ষবরণের আগের দিন রাতে ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড ঘটে খাস কলকাতায়।

    ফের পার্ক স্ট্রিটে নৃশংস হত্যাকাণ্ড। এবার কুপিয়ে খুন করা হল এক প্রৌঢ়কে। খুনের অভিযোগ উঠেছে তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে। জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুনের ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার গভীর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ। ৫৩ বছরের মৃত প্রৌঢ়ের নাম, নীরজ জয়সওয়াল। তুমুল বচসার জেরে তাঁকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তকে এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি।

    প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গেছে, সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরেই প্রৌঢ়ের সঙ্গে ঝামেলা চলছিল তাঁর ভাইয়ের। সেই সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ গতকাল রাতে চরম পর্যায়ে পৌঁছয়।

    তুমুল বচসার মাঝেই নীরজ নামের প্রৌঢ়ের উপর হামলা করেন তাঁর ভাই। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে দেন দাদাকে। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রৌঢ়কে তড়িঘড়ি করে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরেই মৃত প্রৌঢ়ের ছেলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

    চলতি বছরে অক্টোবর মাসেই পার্ক স্ট্রিটে আরেকটি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল। খাস কলকাতার অভিজাত এলাকা, পার্ক স্ট্রিটের একটি হোটেল থেকে এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল।

    বক্স খাটের ভিতর থেকে উদ্ধার হয়েছিল তাঁর দেহ‌। ঘটনার খবর পেয়েই তৎক্ষণাৎ সেখানে উপস্থিত হয় লালবাজারের হোমিসাইড শাখা। হোটেল রুমের ভিতরেই যুবককে খুন করা হয়েছে, পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ছিল তেমনটাই।

    সূত্রের খবর, শুক্রবার সকালে পচা গন্ধের সূত্র ধরেই প্রকাশ্যে আসে ভয়াবহ সত্য। হোটেলের কর্মীরা যখন হোটেলের রুমে রুটিন চেক করছিলেন, তখন তিন তলার ঘর নম্বর ৩০৫ থেকে পচা গন্ধ পান।

    নয়া ব্যক্তি ওই ঘরে ঢুকতেই তিনিও চমকে ওঠেন। খোঁজখুঁজির পর বক্স খাটের ভিতরে থেকে উদ্ধার হয় দেহ। জানা গিয়েছে, ওই ঘরটি বুক করা হয়েছিল ওড়িশার বাসিন্দা বয়ান লালের নামে।

    তিনি নিজের পরিচয়পত্র দিয়ে ঘর ভাড়া করেন। কিন্তু পুলিশ জানতে পেরেছে, যে ব্যক্তির নামে ঘর বুক, তিনি জীবিত রয়েছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় পুলিশ।
  • Link to this news (আজকাল)