• ‘গরিব মরলে মোদিজি সবসময়ই নীরব…’ মধ্যপ্রদেশে নলবাহিত জলে মৃত্যুমিছিল নিয়ে তোপ রাহুলের
    প্রতিদিন | ০২ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের পরিচ্ছন্নতম শহর ইন্দোরে জলদূষণ কেড়েছে অন্তত দশজনের প্রাণ। হাসপাতালে ভর্তি প্রায় দুই হাজার মানুষ। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রদেশ প্রশাসন, বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তোপ দাগলেন সাংসদ রাহুল গান্ধী।

    এক্স হ্যান্ডলে রাহুল লিখেছেন, ‘ইন্দোরে জল নয়, বিষ বিতরণ করা হয়েছে। এদিকে প্রশাসন গভীর ঘুমে ডুবে ছিল। প্রতিটি ঘর শোকে আচ্ছন্ন, দরিদ্ররা অসহায়— অথচ বিজেপি নেতারা উদ্ধত বিবৃতি দিচ্ছেন। যাদের উনুন নিভে গিয়েছে তাঁদের সান্ত্বনার প্রয়োজন ছিল। সরকার অহঙ্কার দেখিয়েছে। মানুষ বারবার নোংরা, দুর্গন্ধযুক্ত জলের বিষয়ে অভিযোগ করেছে। তবুও তাঁদের অভিযোগ কেন শোনা হল না! পানীয় জলের সঙ্গে নর্দমার জল কীভাবে মিশে গেল? সময়মতো সরবরাহ কেন বন্ধ করা হয়নি? দায়ী কর্মকর্তা ও নেতাদের বিরুদ্ধে কবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে? এগুলো তুচ্ছ প্রশ্ন নয়— জবাব দিতে হবে। বিশুদ্ধ জল কোনও অনুগ্রহ নয়, এটা জীবনের মৌলিক অধিকার।’ শেষে তিনি লিখেছে, ‘যখনই গরিবরা মারা যায়, মোদি বরাবরই চুপ থাকেন।’

    ইন্দোরের ভগীরথপুরা এলাকায় নলবাহিত জল পান করে একসঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়েন অসংখ্য মানুষ। মৃতদের মধ্যে রয়েছে একরত্তি শিশুও। জানা গিয়েছে, নলবাহিত জলে দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। জলের স্বাদও ছিল কটু। কিন্তু অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এত বেশি কর দিয়েও কেন সরকারি পরিষেবার এই হাল। কিন্তু কী কারণে পানীয় জলে বিষক্রিয়া হল? পুর কমিশনার দিলীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, এলাকার মূল জল সরবরাহের পাইপলাইনে একটি লিকেজ শনাক্ত করা গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সেই পাইপলাইনের কাছেই সম্প্রতি একটি শৌচাগার নির্মাণ করা হয়। অনুমান, সেখান থেকেই পানীয় জলে বিষক্রিয়া হয়েছে। বিজেপিশাসিত রাজ্যটির এই শহরের বাসিন্দাদের প্রশ্ন, কেন এত বেশি কর দেওয়ার পরও এই পরিস্থিতিতে পড়তে হল।
  • Link to this news (প্রতিদিন)