মিশন ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন। বছরের গোড়া থেকেই চতুর্থবার তৃণমূল সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জেলাজুড়ে প্রচার শুরু করে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দুপুরে, বারুইপুরের সাগর সংঘ মাঠে রণসংকল্প সভা থেকে সেই প্রচার শুরু হল। সভার খুঁটিনাটি জানতে নজর রাখুন সংবাদ প্রতিদিন ডট ইন-এ।
বিকেল ৪.১২: বাংলার ‘দম’ নিয়ে ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের। বললেন, ”এবার গিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে এসেছি বাংলা কী।পরেরবার মমতা যাবেন।”
বিকেল ৪.০৫: ”দক্ষিণ ২৪ পরগনার কোনও আসনে যেন তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান ৫০ হাজারের নিচে না নামে”, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে আরও ভালো ফলাফলের লক্ষ্যে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বললেন অভিষেক।
বিকেল ৪: বিজেপি শাসিত সরকারগুলিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে অভিষেক বললেন, ”যদি কেউ বাংলার মতো মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিতে পারেন নিঃশর্তভাবে, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব। সাহস থাকলে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন।”
দুপুর ৩.৫৫: সভা থেকে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন প্রসঙ্গ তুলে বিজেপিকে তোপ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুভেন্দুর বক্তব্যের একটি অংশ শোনালেন তিনি। যাতে শুভেন্দুকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ”এর চেয়ে বাংলাদেশে ইউনুস সরকার ভালো।” এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে অভিষেক বললেন, ”যে বাংলাদেশে দীপু দাসদের মতো হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, সেই সরকারেরই প্রশংসা করছেন আপনার নেতা! এই আপনাদের হিন্দুত্ব!”
দুপুর ৩.৪৫: র্যাম্পে তিনজনকে ডেকে নিলেন অভিষেক। তাঁদের মধ্যে দুই ব্যক্তি ? মনিরুল ইসলাম মোল্লা, হরেকৃষ্ণ এবং এক মহিলা। অভিষেক জানালেন, ”প্রথম দু’জন মেটিয়াবুরুজের, মহিলা কাকদ্বীপের। এঁদের তিনজনকেই নির্বাচন কমিশন মৃত বলে ঘোষণা করেছেন। অথচ দেখুন, এবার সবাই বেঁচেবর্তে রয়েছেন। তাহলে কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, এঁরা সবাই ভূত! আমি তাই এই ‘ভূত’দের ডেকে হাঁটালাম।”
দুপুর ৩.৪২: মধ্যপ্রদেশে বিষাক্ত জলে মানুষের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে বিজেপিকে তোপ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের।বললেন, ”বিশুদ্ধ পানীয় জল দিতে পারে না। আর ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করে বাংলার মানুষকে ভাতে মারতে চাইছে।”
দুপুর ৩.৩৯: ব্রিগেডে আরএসএস ঘনিষ্ঠ সংগঠনের গীতাপাঠ অনুষ্ঠান নিয়ে তীব্র সমালোচনা অভিষেকের। বললেন, ”কেউ গীতার একটা শ্লোকও বলতে পারবে না।” গীতার পঞ্চম অধ্যায়ের শ্লোক উল্লেখ করে বললেন, ”সত্যি যদি গীতা পড়ে থাকে কেউ, তাহলে চিকেন প্যাটিস বিক্রেতাকে মারধর করতেন না। কে কী খাবে, কে কী চিকেন প্যাটিস খাবে, কে মাছ খাবে, কে রোল খাবে, সব কি দিল্লির বাবারা ঠিক করবে?”
দুপুর ৩.৩৫: ”ছাব্বিশে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সব আসন জিততে হবে। একত্রিশে ৩১” ? জনসভা থেকে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, ”একুশের চেয়ে ভোট শতাংশ এবং আসন সংখ্যা বাড়াতে হবে।” নাম না করে ভাঙড় অর্থাৎ নওশাদের গড় জেতার কথা বললেন অভিষেক।
দুপুর ৩.২৫: সাগর সংঘের মাঠের মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। র্যাম্পে ঘুরে ঘুরে জনতার উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন তিনি। অভিষেকের কথায়, ”বিধানসভা ভোটের আগে ? যতই করো হামলা/আবার জিতবে বাংলা ? এই কর্মসূচি আজ বারুইপুর থেকে শুরু করলাম। অনেকে জিজ্ঞাসা করছেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা তো তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। তাহলে এখান থেকে প্রচার শুরু করতে হল? আমি বলি, কালীঘাট আমার জন্মভূমি হলে দক্ষিণ ২৪ পরগনা আমার জন্মভূমি।”
দুপুর ৩.১৭: অভিষেকের সভায় হাজির দক্ষিণ ২৪ পরগনার দলের জেলা নেতৃত্ব। ছিলেন যাদবপুরের সাংসদ তথা যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। সংক্ষিপ্ত ভাষণে সায়নী বিজেপি, অমিত শাহকে নিশানা করে একের পর এক তোপ দাগলেন।
দুপুর ৩.১০: বারুইপুরে সাগর সংঘ মাঠের জনসভায় হাজির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা র্যাম্প হেঁটে জনতার মাঝে এলেন দলের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’। মঞ্চে হাঁটু গেড়ে বসে মাথা নত করে জনতাকে প্রণাম। তাঁকে দেখে চূড়ান্ত উন্মাদনা জনতার।