• ‘শরীরের জন্য বিপজ্জনক’, অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারে লাগাম টানার পথে রাজ্য
    প্রতিদিন | ০২ জানুয়ারি ২০২৬
  • স্টাফ রিপোর্টার: অ্যান্টিবায়োটিকের (Antibiotics) যথেচ্ছ ব্যবহার রুখতে রাজ্যস্তরে ‘স্টেট অ্যান্টিবায়োটিক অ্যাকশন প্ল্যান’ চালুর পথে হাঁটছে রাজ্য সরকার। আগামী ৯ জানুয়ারি দপ্তরের উদ্যোগে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই রাজ্যস্তরের অ্যাকশন প্ল্যানের খসড়া চূড়ান্ত হতে পারে।

    বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের পদাধিকারীরাও থাকবেন। স্বাস্থ্যদপ্তর ছাড়াও প্রাণিসম্পদ, মৎস্য, পরিবেশ দপ্তরগুলিকে একত্রে আনা হচ্ছে। এর ফলে ওয়ানওয়ে প্ল্যান তৈরি হচ্ছে। যেমন, কোথায় মশার উপদ্রব বেশি সেটা চিহ্নিত করে গাপ্পি মাছ চাষে জোর দেওয়া হবে। পশুপালন, বন দপ্তরকেও যুক্ত করা হতে পারে।

    উল্লেখ্য, গত একবছর ধরে অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় হয়েছে রাজ্য। কোন কোন অ্যান্টিবায়োটিকের নির্বিচার ব্যবহার মানুষের কাছে বিপজ্জনক হয়ে উঠছে তা চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন নীতিতে হাসপাতালে ইন্ডোর, আউটডোর বা আইসিসিইউতে কোন পরিস্থিতিতে কোন অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যাবে সে ব্যাপারেও স্পষ্ট গাইডলাইন থাকবে। কোন কোন ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকের নিয়ন্ত্রণ করা দরকার সেটিও উল্লেখ করা থাকছে।

    উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে ফের বাজার চলতি বহু ওষুধ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কেন্দ্র। এবার সংখ্যাটা ১৫৬। গুণমান পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় এই ১৫৬টি ‘ককটেল ওষুধ’ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে মোদি সরকার। বৃহস্পতিবার থেকে ওষুধগুলি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, এই ওষুধগুলি শরীরের জন্য বিপজ্জনকও হতে পারে। কেন্দ্র যে ওষুধগুলি নিষিদ্ধ করেছে সেগুলি হল, ডোজ কম্বিনেশন তথা ‘ককটেল ওষুধ’। সাধারণ ভাবে ককটেল ওষুধ বলতে বোঝায়, একটি ওষুধের মধ্যে অনেকগুলি ওষুধের সংমিশ্রণ রয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞ কমিটি পরীক্ষা করে দেখে যে ওই ওষুধ রোগীদের পক্ষে বিপজ্জনক। সেই রিপোর্ট আসার পর মোদি সরকার ওই ওষুধ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। অভিযোগ, উপযুক্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য ছাড়াই অনেক ওষুধ কোম্পানি এই ওষুধ তৈরি করছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)