• চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগে, TMC নেতার বিরুদ্ধে আদালতে মহিলা
    আজ তক | ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
  • বালুরঘাট সদর হাসপাতালে ওয়ার্ড গার্লের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ তুলে শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের পতিরাম এলাকার এক মহিলা। অভিযোগকারিণী বাবলি খাতুনের দাবি, প্রায় তিন বছর আগে একই পাড়ার বাসিন্দা ও তৎকালীন পতিরাম গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য উত্তম চন্দ্র দাসকে তিনি দুই লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন চাকরির আশায়। কিন্তু আজও চাকরি তো মেলেইনি, বরং টাকা ফেরত পাওয়ার পথও বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

    বাবলি খাতুনের অভিযোগ, ২০২৩ সালে তাঁকে একটি নিয়োগপত্র দেখিয়ে বালুরঘাট সদর হাসপাতালে যেতে বলা হয়। সেখানে পৌঁছে তাঁকে হাসপাতালের একটি নির্জন ঘরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং একটি খাতায় সই করানো হয়। তাঁর দাবি, ওই খাতায় তাঁর আগে আরও কয়েকজন মহিলার সই ছিল। সই নেওয়ার পর জানানো হয়, পরদিন থেকেই কাজে যোগ দিতে হবে। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর ফোন করে বলা হয়, কয়েকদিন পরে যোগদান করানো হবে।

    অভিযোগকারিণীর দাবি, প্রায় দু’বছর ধরে তিনি বারবার চাকরি বা টাকা ফেরতের দাবি জানালেও কোনও সদুত্তর পাননি। বরং মোট দুই লক্ষ টাকার মধ্যে মাত্র দু’দফায় পাঁচ হাজার করে মোট দশ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়। সম্প্রতি অভিযুক্তের সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে অভিযোগ।

    শেষ পর্যন্ত চলতি বছরের জুলাই মাসে তিনি পতিরাম থানা এবং জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানালেও কোনও অগ্রগতি না হওয়ায় বালুরঘাট আদালতের দ্বারস্থ হন। বাবলি খাতুনের বক্তব্য, তিনি প্রতারণার শিকার এবং সুবিচার চান।

    অন্যদিকে অভিযুক্ত প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য উত্তম চন্দ্র দাসের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি বর্তমানে ভিনরাজ্যে আত্মগোপন করে রয়েছেন। পতিরাম থানার ওসি সৎকার স্যাংবো জানান, “মামলা দায়ের হয়েছে। গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”
     

     
  • Link to this news (আজ তক)