নয়াদিল্লি: গাড়ি, জিপ বা ভ্যানের জন্য নতুন ফাস্ট্যাগ ইস্যুর ক্ষেত্রে ‘নো ইয়োর ভেহিকেল’ বা কেওয়াইভি প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (এনএইচএআই)। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। নতুন ব্যবস্থা চালু হলে ফাস্ট্যাগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে বলে মনে করছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। ফাস্ট্যাগ কেনার পর ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের যে অযথা ঝঞ্ঝাট পোহাতে হত, সেই সমস্যাও মিটতে চলেছে। এতদিন নতুন ফাস্ট্যাগ কেনার পর তা ঠিক গাড়িতে লাগানো হয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য কেওয়াইভি করাতে হত। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া জটিল বলে অভিযোগ করতেন গাড়ির মালিকরা। এনএইচএআই তাদের নতুন নির্দেশিকায় জানিয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কেওয়াইভি ছাড়াই নতুন ফাস্ট্যাগ ব্যবহার করা যাবে। যে ব্যাংক ফাস্ট্যাগ ইস্যু করবে, তারাই ‘বাহন’ তথ্যভাণ্ডারের সাহায্যে যাবতীয় ভেরিফিকেশন করবে। ফাস্ট্যাগ চালুর আগেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। পুরোনো গাড়ির ক্ষেত্রেও শুধুমাত্র ফাস্ট্যাগ খুলে গেলে, গাড়ির সঙ্গে তথ্যের গরমিল থাকলে বা ফাস্ট্যাগের অপব্যবহার হয়েছে সন্দেহ হলেই কেওয়াইভির প্রয়োজন হবে। এই সব সমস্যা না থাকলে কেওয়াইভি প্রয়োজন হবে না। তবে নতুন নির্দেশিকায় অপব্যবহার রুখতে ফাস্ট্যাগ অ্যাকটিভ হওয়ার আগে যাচাই প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হচ্ছে। এতদিন ফাস্ট্যাগ অ্যাক্টিভেট হওয়ার পরে যাচাই প্রক্রিয়া হত। সেই ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। যদি ‘বাহন’-এ কোনও গাড়ির তথ্য পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট দেখে ফাস্ট্যাগ ইস্যু করবে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক।